Advertisement
হিমাঙ্কের নিচে শ্বেতশুভ্র সান্দাকফু! হাড়কাঁপানো দার্জিলিঙে তুষারপাতের আশায় পর্যটকরা
চলতি মরশুমে রীতিমতো ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের!
চলতি মরশুমে রীতিমতো ঝোড়ো ব্যাটিং করছে শীত। নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ১১ ডিগ্রি। তারপর কয়েকদিনে সামান্য উর্ধ্বমুখী ছিল পারদ। মঙ্গলবার কলকাতার তাপমাত্রা নামল ১০ ডিগ্রির ঘরে। যা সর্বকালীন রেকর্ড। শুধু কলকাতা নয়, তাপমাত্রা নেমেছে দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও।
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে শীতলতম ছিল বীরভূম! হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ মঙ্গলবার বীরভূমের সিউড়ি এবং শ্রীনিকেতন উভয় জায়গাতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রীতিমতো উত্তরবঙ্গকে টেক্কা দিচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের এই জেলা।
শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরের পাহাড়-সমতলেও এদিন শীতলতম দিন। শৈল শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সান্দাকফু, ঘুম, ধোত্রে, চটকপুরের মতো উঁচু পাহাড়ি এলাকার তাপমাত্রা ক্রমশ নামছে। সোমবার রাতে এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ হিমাঙ্কের নিচে চলে যায়। তারই জেরে তুষারপাতের জোরদার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন হালকা বৃষ্টির সঙ্গে সান্দাকফু, ঘুম, ধোত্রে, চটকপুরের মতো উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হতে পারে৷ কনকনে ঠান্ডাতেও দার্জিলিং পাহাড়ে সেই প্রতীক্ষায় রয়েছে কয়েক হাজার পর্যটক।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে উত্তরের পাহাড়-সমতল। সেই সঙ্গে হিম শীতল উত্তুরে হাওয়ার ঝাপটায় স্বাভাবিক জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে। দার্জিলিং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমেছে। বেলা গড়ালেও কুয়াশা কাটেনি।
ঠান্ডা উপেক্ষা করেই দার্জিলিং শহরের ম্যাল থেকে চৌরাস্তা সর্বত্র ভিড়। পর্যটকদের অনেকেই ছুটেছেন ঘুম অথবা চটকপুরে! শুধু কুয়াশার মধ্যে পর্যটকদের অনেকেই ল্যান্ড রোভারে চেপে তুষারপাতের আগেভাগে সান্দাকফুতে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। চলছে ট্রেকিংও।
Published By: Kousik SinhaPosted: 04:31 PM Jan 06, 2026Updated: 04:41 PM Jan 06, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
