কথায় বলে, জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে, তিন বিধাতা নিয়ে। অর্থাৎ সর্বশক্তিমানের ইচ্ছেতেই হয় সবকিছুই। এবং এই সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে থাকে পূর্বজন্ম। বলা হয়, পূর্বজন্মের কর্ম ও তার ফলের ভিত্তিতেই জন্ম হয় বিশেষ তারিখে। এরকমই একটা তারিখ হল ২২। এই সংখ্যাকে বলা হয় মাস্টার নম্বর। এই তারিখে যাদের জন্ম তাঁদের বলা হয়, মাস্টার বিল্ডার। এই সংখ্যাকে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় সংখ্যাতত্ত্বে। সংখ্যাতত্ত্ব বলে, এই তারিখে জন্মের নেপথ্যে রয়েছে বিশেষ কারণ। তা হল, পূর্বজন্মের অপূর্ণ রাখা কাজ।
কী বলছে সংখ্যাতত্ত্ব? বলা হয়, ২২ তারিখে যাঁদের জন্ম, অর্থাৎ মাস্টার বিল্ডাররা পূর্বজন্মে বড় কোনও কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু কোনও না কোনও কারণে তা শেষ করতে পারেননি। সেই অপূর্ণ কাজ শেষ করতেই নাকি জন্ম হয় ২২ তারিখে। সেই কারণেই আর পাঁচজনের থেকে অনেক বেশি উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে এগোয় এদের জীবন। কারণ, পূর্বজন্মের কর্মের ফল এদের ভোগ করতে হয় গোটা জীবন। কর্মফল ভোগ ও তা থেকে শিক্ষা নিতেই জন্ম হয় এই ২২ তারিখে।
তবে মাথায় রাখবেন ২২ তারিখের (জন্মসংখ্যা ৪) জাতকরা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা। এরা অত্যন্ত আবেগ প্রবন। এরা আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে বাঁচেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্বপ্নকে স্পর্শও করেন এরা। তবে হ্যাঁ, সে রাস্তা কখনও সুন্দর হয় না। কন্টকময় পথ ধরে এগিয়ে যেতে হয় এদের। রাহুর জাতক হওয়ায় এদের তীক্ষ্ণবুদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দেওয়া কঠিন। ৪ জন্ম সংখ্যার জাতকদের, বিশেষ করে ২২ তারিখে যাদের জন্ম, তাঁদের নিয়মের বেড়াজালে বেঁধে ফেলা কার্যত অসম্ভব। নিজের মনে কথা শুনতে গিয়ে বহু সময়ে আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়ে যান এরা। তবে কোনও কিছু যদি করবেন বলে ঠিক করেন, তাহলে এদের রোখা কার্যত অসম্ভব। তবে কর্মফলের কারণে, কেরিয়ারে উন্নতি হলেও ব্যক্তিগত জীবন এদের সুখী হয় না।
