shono
Advertisement

কষ্টিপাথরের মূর্তি, পাকাপোক্ত মন্দির, নৈহাটিতে নবরূপে প্রতিষ্ঠিত বিখ্যাত ‘বড়মা’

রবিবার থেকেই ভক্তদের জন্য খুলল মন্দিরের দ্বার।
Posted: 08:19 PM Oct 29, 2023Updated: 08:19 PM Oct 29, 2023

অর্ণব দাস, বারাকপুর: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। নৈহাটির (Naihati) বিখ্যাত কালী প্রতিমা ‘বড়মা’র কষ্টিপাথরের মূর্তি প্রতিষ্ঠার পর এবার নবনির্মিত মন্দিরের (Temple) দ্বার খুলে দেওয়া হল জনসাধারণের জন্য। রবিবার দুপুরে নৈহাটির অরবিন্দ রোডে মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেন নৈহাটির বিধায়ক তথা মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক (Partha Bhowmick)। উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায়, বিধায়ক সুবোধ অধিকারী, সোমনাথ শ্যাম, নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক ভট্টাচার্য-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। হাজার হাজার ভক্ত এদিন সকাল থেকেই পুজো দেওয়ার জন্য ভিড় করে ছিলেন মন্দিরের সামনে। মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটনের পর একে একে ভক্তদের পুজো দেওয়ার ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

‘বড়মা’র সাড়ে ৪ ফুট কষ্টিপাথরের মূর্তি।

এতদিন নৈহাটির এই মন্দিরে কালীপুজো (Kali Puja) বাদে সারা বছরই পূজিত হত বড়মার ছবি। গত বছর কালীপুজোর আগেই কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, বড়মার পুজোর শতবর্ষ উপলক্ষে ফটোর বদলে পাকাপাকিভাবে বসবে দেবীর কষ্টিপাথরের মূর্তি। মন্দির পুনর্নির্মাণ করা-সহ তৈরি করা হবে ভোগ খাওয়ার ঘর, অতিথি নিবাস, বৃদ্ধাশ্রম। এর পরই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের ভক্তদের অনুদানে শুরু হয় নির্মাণের কাজ। সাড়ে চার ফুটের কষ্টিপাথরের বড়মার মূর্তি নির্মাণ করতে রাজস্থান (Rajasthan) থেকে শিল্পী ধর্মেন্দ্র সাউকে নিয়ে আসা হয়।

[আরও পড়ুন: এবার ইডির দপ্তরে জ্যোতিপ্রিয়কন্যা প্রিয়দর্শিনী]

গত বুধবার শোভাযাত্রা করে কষ্টিপাথরের মূর্তি নিয়ে আসা হয় নবনির্মিত মন্দিরে। ভক্তদের দানে তৈরি ১০০ ভরি সোনার অলংকারে সাজানো হয় বড়মাকে। মায়ের নিচে শায়িত শিবকে সাজানো হয় রুপোর মুকুট, ত্রিশূল, পাদুকা-সহ অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে। ঘট এবং ধ্বজাপুজোর পর শুক্রবার হয় মন্দির প্রতিষ্ঠার পুজো। শনিবার লক্ষ্মীপুজোর দিন মায়ের চক্ষুদানের পর হয় প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুজো। তার পর ভোগ নিবেদন। মায়ের মন্দিরের পাশেই প্রতিষ্ঠা করা হয় রাধাকৃষ্ণের পাথরের মূর্তি।

[আরও পড়ুন: তিস্তায় মাছের মড়ক! জলদূষণই কারণ? কারণ খুঁজতে দল পাঠাচ্ছে মৎস্য দপ্তর]

আর রবিবার নবনির্মিত মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন হল। এদিন থেকেই পুজো দিতে শুরু করেন ভক্তরা। সেচমন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক পার্থ ভৌমিক বলেন, ”বড়মার মন্দিরকে ঘিরে যে সকল ভক্তরা থাকেন, তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মানসিকতার জন্যই অগণিত মানুষ তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে সকলের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, বড়মার মন্দির তৈরি করে মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যত দিন যাবে, বড়মার মাহাত্ম্য রাজ্য ছাড়িয়ে দেশ এবং গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।”

দেখুন ভিডিও:

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement