shono
Advertisement
Mohun Bagan

মিনি ডার্বিতে মহামেডান বধ, পাঁচতারা পারফরম্যান্সে আইএসএলে জয়ের হ্যাটট্রিক মোহনবাগানের

টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট মোহনবাগানের সামনে এ হেন মহামেডান যে কোনও জুজু নয়, তা মোটামুটি সবাই জানত। প্রকৃতপক্ষে ম্যাচেও দেখা গেল সাদা-কালো ফুটবলাররা চাপ থেকে বেরতে পারলেন না। ম্যাচের ফলাফলই যার জলজ্যান্ত প্রমাণ। এক গোলে পিছিয়ে থেকে মোহনবাগান জিতল ৫-১ গোলে। 
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 09:29 PM Feb 28, 2026Updated: 09:53 PM Feb 28, 2026

মোহনবাগান ৫ (রবসন ২, ম্যাকলারেন, দিমি, মনবীর)
মহামেডান ১ (কিমা) 

Advertisement

একটা দল তারকাখচিত। অন্য দল 'ঢাল নাই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার'। বলা হচ্ছে মোহনবাগান ও মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কথা। একটা সময় যুযুধান দুই দলের লড়াই দেখার অপেক্ষায় থাকতেন ফুটবলপ্রেমীরা। কিন্তু 'সময় চলিয়া যায়, নদীর স্রোতের প্রায়'। সবুজ-মেরুন ক্লাব অতীত ঐতিহ্য নিয়ে আগুয়ান হলেও রেড রোডের ক্লাব যেন অতীতের ছায়া মাত্র। খাতায়কলমে 'মিনি ডার্বি' হলেও দুই শিবিরের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট মোহনবাগানের সামনে এ হেন মহামেডান যে কোনও জুজু নয়, তা মোটামুটি সবাই জানত। প্রকৃতপক্ষে ম্যাচেও দেখা গেল সাদা-কালো ফুটবলাররা চাপ থেকে বেরতে পারলেন না। ম্যাচের ফলাফলই যার জলজ্যান্ত প্রমাণ। এক গোলে পিছিয়ে থেকে মোহনবাগান জিতল ৫-১ গোলে।

দুই প্রধানের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে তুলে বিশেষ টিফো নিয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হাজির হয়েছিলেন দর্শকরা। তাছাড়াও আরও একটা টিফো ছিল। সেখানে লেখা, 'প্রতিপক্ষরা দেখে নাও সব ট্রফি আমাদের হাতে'। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশেই শুরু হয় খেলা। ৩ মিনিটে রবসনের শট বাঁচান মহামেডান গোলকিপার শুভজিৎ ভট্টাচার্য। ৫ মিনিটে অনিরুদ্ধ থাপার ফ্রিকিক থেকে গোল পেয়ে যেতে পারত সবুজ-মেরুন। থাপার ভাসানো বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি প্রায় মুক্তাঞ্চলে দাঁড়ানো আলবার্তো রডরিগেজ। তবে ১২ মিনিটে তাল কাটে। কর্নার থেকে বল পেয়ে দুরন্ত হেডে গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন লালথানকিমা।

নিজস্ব চিত্র

গোল খাওয়ার পরই যেন মোহনবাগান দলটা বদলে যায়। ১৮ মিনিটে ওয়ান টু খেলে দারুণ শট রবসনের। পোস্টে লাগে। ২২ মিনিটে রবসন রবিনহোর গোলে সমতায় ফেরে সবুজ-মেরুন। সেই শুরু। তারপর আর থামানো যায়নি লোবেরা ব্রিগেডকে। ২৭ মিনিটে ফের গোল ব্রাজিলিয়ান তারকা রবসনের। ৩৫ মিনিটে আমে রানাওয়াড়ের ক্রসে হেড করেন কামিংস। মহামেডান গোলকিপার যা বাঁচালেও ফিরতি বল গিয়ে পড়ে ম্যাকলারেনের কাছে। গোল করতে কোনও ভুল করেননি অজি তারকা। তবে ৩৮ মিনিটে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে উঠে গেলেন রবসন। তাঁর জায়গায় নামেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। ৩৯ মিনিটে জেমির শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। প্রথমার্ধের ইনিজুরি সময়ে কামিংস সুযোগ পেলেও তা থেকে গোল হয়নি। প্রথমার্ধ শেষে খেলার ফলাফল থাকে মোহনবাগানের পক্ষে ৩-১।

দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতির খুব বিশেষ বদল হয়নি। দাপুটে শুরু করে মোহনবাগান। ৬২ মিনিটে সবুজ-মেরুনকে ৪-১ গোলে এগিয়ে দেন মনবীর সিং। লিস্টন কোলাসোর দুর্দান্ত ক্রসে অসাধারণ হেডে গোল করেন তিনি। এই মরশুমে এটা তাঁর প্রথম গোল। ৭০ মিনিটে দূরপাল্লার শটে বিশ্বমানের গোল করেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। এরপর গোলের একাধিক সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বেশি ব্যবধানে জিততে পারত মোহনবাগান। তবে এই জয়ের পড় গোল পার্থক্য বাড়িয়ে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এল সবুজ-মেরুন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement