হল না জয়ের হ্যাটট্রিক। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরেছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। প্রাক্তনী মাদিহ তালাল-মেসি বাউলিদের দাপটে ঘরের মাঠে পরাস্ত হয়েছে অস্কার ব্রুজোর দল। ডিফেন্সে ফাঁকফোকর ও গা-ছাড়া মানসিকতায় ফের ভুগল ইস্টবেঙ্গল। প্রশ্নের মুখে অস্কারের পরিকল্পনাও।
এদিন কেন ইউসেফ এজ্জেজারিকে তুলে নেওয়া হল এই নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হল ইস্টবেঙ্গল কোচকে। তিনি উত্তরে জানিয়ে গেলেন, রমজান মাসে সারাদিন না খেয়ে থাকার জন্য শেষের দিকে তাঁকে তুলে নিয়েছেন তিনি। অস্কারের কথায়, "বিকেল পাঁচটার সময়ে ম্যাচ খেলতে নামা সমস্যার। আমাদের চারজন ফুটবলার উপোস করেছিল। তাই ওরা সেরাটা দিতে পারেনি।" পাশাপাশি এও জানিয়ে গেলেন আগামী তিন ম্যাচ জিতে ফের লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে আসবে তাঁর ছেলেরা। এদিন তিনি বলেন, “তালাল, বাউলিরা ওদের প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে নামার জন্য মুখিয়ে ছিল। এছাড়াও সিবলে, নাওরেম, সলের মতো ফুটবলার ছিল না। আশা করব, আগামী তিন ম্যাচ জিতে আবার লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে আসব।”
এদিন ম্যাচ হারের পর লাল-হলুদ শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার তোপ দাগলেন রেফারির বিরুদ্ধে। একটি পেনাল্টি তাঁদের প্রাপ্য ছিল বলে দাবি তাঁর। এদিন তিনি বলেন, “আশা করি গোয়ার বিরুদ্ধে আমরা ভালো খেলব। এখন বললে হয়ত অন্যরকম হবে, কিন্তু আমরা একটা পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয়েছি এই ম্যাচে। ওদের এক ফুটবলারের হাতে বল লাগল, যেটা লাল কার্ড হতে পারত। যে রেফারিংটা এদিন হয়েছে সেটা ঠিক হয়নি এটুকু বলতে পারি।”
প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে জয়ের পর মাদিহ তালাল ধন্যবাদ দিয়ে গেলেন লাল-হলুদ জনতাকে। এদিন তিনি বলেন, “ধন্যবাদ ইস্টবেঙ্গল জনতাকে। আমাকে সমর্থন করার জন্য। বহু সমর্থক আমাকে চোট পাওয়ার পর ব্যক্তিগত মেসেজ করেছেন। অনেককেই উত্তর দিয়েছি। আমি ভালো সময় কাটিয়েছি এখানে। চোট কাটিয়ে এভাবে আবার ফিরে আসতে পেরে আমি সত্যি খুব খুশি। আজ গোল খাওয়ার পর আমরা মরিয়া হয়ে উঠেছিলাম তা শোধ করার জন্য। এই জয়টা খুব দরকার ছিল আমাদের জন্য।” ইস্টবেঙ্গলের পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষ এফসি গোয়া।
