বর্তমান ডিজিটাল যুগে ইমেল কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, আপনার পেশাদারিত্বের প্রতিফলনও বটে। একটি সুন্দর ও তথ্যবহুল ‘ইমেল সিগনেচার’ আপনার পাঠানো মেলের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনার নাম, পদবি, ফোন নম্বর থেকে শুরু করে সংস্থার লোগো— এক ক্লিকেই সবটা পৌঁছে যেতে পারে গ্রাহকের কাছে। জিমেলে এই বিশেষ সুবিধাটি পেতে চান? তাহলে জানুন কীভাবে তা সেট করবেন।
জিমেলে সিগনেচার ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হল সময়ের সাশ্রয়। প্রতিবার ইমেলের শেষে নিজের পরিচয় টাইপ করার প্রয়োজন পড়ে না। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্তার শেষে যোগ হয়ে যায়। একজন ছাত্র, ফ্রিল্যান্সার বা বড় ব্যবসায়ী— যে কেউই নিজের ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরি করতে এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন।
ফাইল ছবি
কীভাবে করবেন?
প্রথমে কম্পিউটার থেকে নিজের জিমেইল অ্যাকাউন্টটি খুলুন। ডানদিকের উপরের কোণে থাকা ‘সেটিংস’ আইকনে ক্লিক করে ‘সি অল সেটিংস’ অপশনে যান। সেখানে ‘জেনারেল’ ট্যাবের অধীনে স্ক্রল করলেই চোখে পড়বে ‘সিগনেচার’ অপশনটি। সেখানে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে দিন। জিমেইল আপনাকে টেক্সটের স্টাইল পরিবর্তন, রং বদলানো কিংবা ছবি ও লোগো যোগ করার অপশন দেবে। মনে রাখবেন, সিগনেচারের সর্বোচ্চ সীমা ১০,০০০ ক্যারেক্টার। তবে ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আয়তনের দিকে নজর রাখা জরুরি। কাজ শেষ হলে পৃষ্ঠার একদম নিচে গিয়ে ‘সেভ চেঞ্জেস’ বাটনে ক্লিক করলেই কাজ শেষ।
একাধিক সিগনেচার ও এডিট
প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি একাধিক সিগনেচারও তৈরি করে রাখতে পারেন। যেমন, নতুন মেইলের জন্য একরকম এবং রিপ্লাই বা ফরোয়ার্ডের জন্য অন্যরকম। চাইলে আগে তৈরি করা সিগনেচার এডিট বা ডিলিট করাও সম্ভব। যাঁরা ‘সেন্ড মেইল অ্যাজ’ ফিচার ব্যবহার করে একাধিক ইমেল আইডি চালান, তাঁরা প্রতিটি আইডির জন্য আলাদা সিগনেচার সেট করতে পারেন। ইমেল ড্রাফট করার সময়ও নিচের দিকে থাকা কলম আইকন (ইনসার্ট সিগনেচার) থেকে তাৎক্ষণিক ভাবে এটি পরিবর্তন করা যায়।
সামান্য কিছু স্টেপ অনুসরণ করেই আপনার সাধারণ ইমেল হয়ে উঠতে পারে অনেক বেশি পরিপাটি। আজই নিজের জিমেলে যুক্ত করুন আপনার সিগনেচার।
