shono
Advertisement
bali tourism

বালি ভ্রমণে নতুন ভিসা-নীতি, কতটা সমস্যায় পড়তে পারেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা?

এই নতুন নীতিতে যে ধরনের পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে রূপটান শিল্পী, কেশবিন্যাস শিল্পী, ফোটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, ওয়েলনেস কোচ, যোগা প্রশিক্ষক প্রভৃতি।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 05:54 PM May 17, 2026Updated: 05:54 PM May 17, 2026

আধুনিক প্রজন্মের পছন্দের বেড়াতে যাওয়ার তালিকার একেবারে শুরুর দিকেই রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার বালি (bali tourism) দ্বীপ। সেখানকার বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত, অসামান্য প্রাকৃতিক শোভা, নিখুঁত কারুকার্যে ভরা মন্দির যে কোনও পর্যটককে মুগ্ধ করবেই। সোশাল মিডিয়াতেও বালির ছবি, ভিডিও মাত্রেই ভাইরাল। আর তাই কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েনসারদের কাছে যেন এই দ্বীপে ভ্রমণ, হাতে স্বর্গ পাওয়ার সমতুল্য।

Advertisement

সোশাল মিডিয়াতেও বালির ফোটো, ভিডিও মাত্রেই ‘ভাইরাল’

কিন্তু সাম্প্রতিককালে বেশ কিছু রদবদল চলছে সেখানকার ভিসা পলিসিতে। সেখানকার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বক্তব্য, বিদেশীরা সেখানে সাধারণ পর্যটক হিসেবে প্রবেশ করছে। ‘সোশিও-কালচারাল ভিসা’র ভরসায় পা রাখছে সেই দেশে। অথচ সেখানে গিয়ে বিপুল সংখ্যক ছবি, ভিডিও, রিল বানাচ্ছে, যা তাদের পেজে আপলোড হচ্ছে। এবং তা থেকে অর্থ উপার্জন হচ্ছে স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু স্রেফ পর্যটন ভিসায় গিয়ে এমনটা করা যায় কি? উঠছে প্রশ্ন। আর এতেই বেঁকে বসেছেন সেখানকার ইমিগ্রেশন আধিকারিকরা। তাঁদের মতে, এতে লঙ্ঘিত হচ্ছে ভিসা-নীতি।

বলাবাহুল্য, অভিযোগের তীর মূলত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েনসারদের দিকেই। এই নতুন নীতিতে যে ধরনের পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে রূপটান শিল্পী, কেশবিন্যাস শিল্পী, ফোটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, ওয়েলনেস কোচ, যোগা প্রশিক্ষক, ডিজে পারফরম্যান্সের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, প্রভৃতি। এমনকী, এই ঝাড়াই বাছাইয়ের কাজে সেখানকার ইমিগ্রেশন আধিকারিকরা কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন সোশাল মিডিয়ায়। কনটেন্ট ক্রিয়েটররা ঠিক কোন কোন উপায়ে ‘ব্যবহার’ করছে বালি ভ্রমণের সুযোগ, তা বুঝতে তৎপর তাঁরা।

ফোটো-ভিডিও আর্থিক উপার্জনের কাজে ব্যবহার না করা গেলেও কি একইরকম হিড়িক থাকবে বালি ভ্রমণের?

এই তালিকায় রয়েছে ফ্রি ভলেন্টিয়ারদের নামও। ফ্রি ভলেন্টিয়ার বলতে বোঝায় সেই শ্রেণির পর্যটকদের, যারা বালির হোটেল-রেস্তোরাঁয় এসে নিজের থেকেই জানাচ্ছেন যে, তাঁরা সাহায্য করতে চান সেখানকার রোজকার কর্মসম্পাদনায়। এই সাহায্যের বদলে বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্তটুকু আশা করেন তাঁরা। সাধারণ পর্যটকের ভিসায় এমনটা করা চলবে না, জানিয়েছে বালির অভিবাসন দপ্তর।

তবে কি পাকাপাকিভাবে বালি যাওয়ার হুজুগে ভাটা পড়তে চলেছে? কারণ ইদানীংকালে যে সেখানে সবচাইতে বেশি ভিড় জমিয়েছিল ইনফ্লুয়েনসারেরা, তা বোঝা যায় সোশাল মিডিয়ায় চোখ বোলালেই। সেখানে তোলা ছবি-ভিডিও আর্থিক উপার্জনের কাজে ব্যবহার না করা গেলেও কি একইরকম হিড়িক থাকবে বালি ভ্রমণের? জানতে উদগ্রীব নেটজগৎ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement