shono
Advertisement
Donald Trump

ট্রাম্পের যৌনাঙ্গে কামড় নাবালিকার! তারপর...

এফবিআই সব অভিযোগ তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয় তাদের ওয়াশিংটনের ফিল্ড অফিসে। এপস্টেন নিজের বদ অভ্যাস মতো দিনে মেয়েদের একাধিকবার নিগ্রহ করতেন বলে তদন্ত সংক্রান্ত নয়া ফাইলে প্রকাশ।
Published By: Anustup Roy BarmanPosted: 09:22 AM Feb 01, 2026Updated: 09:33 AM Feb 01, 2026

বিল ক্লিন্টনের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প! যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগে বিদ্ধ আরও এক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একইসঙ্গে প্রকাশ্যে মার্কিন ধনকুবের বিল গেটসের যৌনরোগে সংক্রমিত হওয়ার খবরও।

Advertisement

প্রয়াত ফিনান্সার জেফ্রি এপস্টেনের বিরুদ্ধে তদন্তের ফাইল ঘাঁটতে গিয়ে আগেই নানা শোরগোল ফেলা বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়েছে। প্রকাশ্যে এসেছে একের পর এক দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হল এবার, যার কেন্দ্রে খোদ ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫ বছর আগে নিউজার্সিতে এক নাবালিকাকে মুখমৈথুনে (ওরাল সেক্স) বাধ্য করার অভিযোগ সামনে এল ফাইলের সূত্রে। তাতে প্রকাশ, এফবিআইয়ের কাছে এই অভিযোগ জমা পড়েছিল। এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনে দাবি করেন, ঘটনার সময় তাঁর বয়স ছিল ১৩-১৪। ওরাল সেক্স চলাকালে তিনি ট্রাম্পকে কামড়ে দেন, পাল্টা মুখে থাপ্পড় খান। সেই মহিলাকে এপস্টেনও নিগ্রহ করেন বলে অভিযোগ।

এফবিআই সব অভিযোগ তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয় তাদের ওয়াশিংটনের ফিল্ড অফিসে। এপস্টেন নিজের বদ অভ্যাস মতো দিনে মেয়েদের একাধিকবার নিগ্রহ করতেন বলে তদন্ত সংক্রান্ত নয়া ফাইলে প্রকাশ। যদিও মার্কিন ন্যায়বিচার দপ্তর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অসার, মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দপ্তরের ব্যাখ্যা, স্বচ্ছতা সংক্রান্ত আইনে এফবিআইয়ের কাছে জমা পড়া যাবতীয় নথি, তথ্য ফাইলে রয়েছে। কিছু নথিতে মিথ্যা বা সাজানো দাবি থাকতে পারে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মুখমৈথুনে বাধ্য করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। এমন অভিযোগের বিন্দুমাত্র ভিত্তি, সত্যতা থাকলে তদন্ত হত বা অনেক আগেই, বিশেষত ২০২০-র মার্কিন নির্বাচনের সময়ই তা রাজনৈতিক অস্ত্র হত।

এপস্টেনে আগেও তাবড় লোকজনের নাম জড়িয়েছে। এবারের সংযোজন গেটস। তিনি নাকি একাধিক রুশ তরুণীকে শয্যাসঙ্গী করে যৌন রোগে সংক্রমিত হওয়ার পর 'গোপনে' তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডাকে পাঠানোর জন্য প্রতিষেধক অ্যান্টিবায়োটিকের খোঁজ করেছিলেন। শুক্রবার নথি বের করেছে মার্কিন ন্যয় বিভাগ। তার মধ্যে ২০১৩য় নিজেকে পাঠানো এপস্টেনের একগুচ্ছ ইমেলও আছে। তাতেই গেটসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন তিনি। গেটস তাঁকে এই সংক্রান্ত সব মেল মুছে ফেলতেও বলেছিলেন, দাবি এপস্টেনের। যদিও এর সত্যতা খতিয়ে দেখা হয়নি। গেটস নথি প্রকাশ্যে আসতেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। ডেলি মেল-কে তাঁর মুখপাত্র বলেছেন, মিথ্যে, হাস্যকর। নথি থেকে এটাই বোঝা যাচ্ছে যে, গেটসের সঙ্গে সুসম্পর্ক না থাকায় এপস্টেন হতাশার জেরে কতটা নিচে নামতে পারেন!

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement