Advertisement

মায়ানমারে তুঙ্গে গৃহযুদ্ধ, বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত বার্মিজ সেনার ৩০ জওয়ান

11:31 AM Oct 13, 2021 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মায়ানমারে (Myanmar) আরও তীব্রতর হয়েছে গৃহযুদ্ধ। কয়েকদিন আগে বিদ্রোহীদের শায়েস্তা করতে দেশের উত্তর-পশ্চিমে ভয়াবহ বিমান হানা চালিয়েছিল সামরিক জুন্টা। বিদ্রোহীদের ঘাঁটি লক্ষ করে প্রবল বোমাবর্ষণ করে বার্মিজ সেনার ফাইটার জেটগুলি। তারই পালটা এবার বার্মিজ সেনার ৩০ জন জওয়ানকে খতম করেছে বিদ্রোহী বাহিনী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মায়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী সু কি’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা, হতে পারে ২০ বছরের জেল]

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিমে সাগাইং প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’-এর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে। সম্প্রতি ওই এলাকা থেকে বিদ্রোহী বাহিনীকে হঠিয়ে দিতে অভিযান শুরু করেছে জুন্টা। ‘রেডিও ফ্রি এশিয়া’ জানিয়েছে, সোমবার পালে টাউণের নিকটে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে বার্মিজ সেনার ৩০ জওয়ান। নিহতদের মধ্যে বার্মিজ সেনার এক কমান্ডারও রয়েছেন বলে খবর। বিদ্রোহী বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, “আমরা জানতাম সেনার কনভয়ে একজন কমান্ডার আছেন। তাই আর্মি কনভয়ের পথে ল্যান্ডমাইন বিছিয়ে রেখেছিলাম আমরা।”

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1630720090-3');});

গণতন্ত্রের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল মায়ানমার (Myanmar)। সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন গণতন্ত্রকামী মানুষ। এহেন পরিস্থিতিতে জুন্টার উপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করে মায়ানমারের ‘বিদ্রোহী সরকার’ বা ‘ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট’। গত সেপ্টেম্বর মাসে পিনলেবুতে চলা লড়াইয়ের বিষয়ে বিদ্রোহী সরকারের তরফে জানানো হয় যে, সংঘর্ষে বার্মিজ সেনার ২৫ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। রকেট, গ্রেনেড-সহ প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র হাতে এসেছে বিদ্রোহীদের। গত সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ জুন্টার বিরুদ্ধে হাতিয়ার তুলে নেওয়ার আরজি জানায় ইউনিটি গভর্নমেন্ট। মিলিশিয়া গ্রুপ বা ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’কে সরকারি বাহিনীর উপর হামলা চালানোর নির্দেশ দেয় তারা। এবার সেই হামলার জবাবে বিমান হানা চালিয়েছে জুন্টা।

উল্লেখ্য, গত বছর বিরোধীদের পরাজিত করে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন আং সান সু কি’র (Aung San Suu Kyi) দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (NLD)। মায়ানমার সংসদের নিম্নকক্ষের ৪২৫টি আসনের মধ্যে ৩৪৬টিতে জয়ী হয় তারা। কিন্তু, রোহিঙ্গা ইস্যু থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় সু কি সরকারের। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগও করেছে সামরিক ‘জুন্টা’। তারপরই ফেব্রুয়ারি মাসে শেষমেশ ক্ষমতা দখল করে ফৌজ।

[আরও পড়ুন: The Face of Buddhist Terror: মায়ানমারের মুসলিম বিরোধী বৌদ্ধ ভিক্ষু উইরাথুকে মুক্তি দিল জুন্টা]

Advertisement
Next