shono
Advertisement
Denmark PM Warns Donald Trump

'হুমকি থামান, গ্রিনল্যান্ড বিক্রয়যোগ্য নয়', ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর

Greenland: দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে অধীশ্বর হওয়ার পর থেকেই গ্রিনল্যান্ডের দিকে নজর ট্রাম্পের!
Published By: Biswadip DeyPosted: 05:59 PM Jan 05, 2026Updated: 06:47 PM Jan 05, 2026

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের পর এবার গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তারপরই তাঁকে পালটা দিলেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী ও গ্রিনল্যান্ডের নেত্রী মেটে ফ্রেডরিকসেন। জানিয়ে দিলেন, এমন মন্তব্য একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।

Advertisement

সম্প্রতি 'দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিন'-এ একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''অবশ্যই আমাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার। নিরাপত্তার জন্যই দরকার।'' আর এই বক্তব্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্ননত মেটে ফ্রেডরিকসেন বলেছেন, ''আমেরিকা গ্রিনল্যান্ড দখল করবে— এমন কথা বলার কোনও অর্থই হয় না। ডেনিস রাজত্বের অন্তর্ভুক্ত তিনটি দেশের কোনওটিকেই সংযুক্ত করার অধিকার মার্কিন মুলুকের নেই।'' তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রি হবে না।

দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে অধীশ্বর হওয়ার পরই ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে চায় আমেরিকা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থের গ্রিনল্যান্ডকে চায় আমেরিকা। খনিজ পদার্থের জন্য নয়। গ্রিনল্যান্ড উপকূলের আশপাশে বহু রুশ এবং চিনা জাহাজ রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা প্রয়োজনীয়।” তারপরই আর্কটিক অঞ্চলে আমেরিকার বিশেষ দূত নিয়োগ করেন তিনি। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রিনল্যান্ড।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিলসেন একটি যৌথ বিবৃতি দেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কটাক্ষ করে তাঁরা বলেন, “গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে আপনি অন্য কোনও দেশকে সংযুক্ত করতে পারবেন না। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আশঙ্কা থাকলেও নয়। গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডবাসীর। আমেরিকা কোনওদিন গ্রিনল্যান্ড দখল করতে পারবে না।” এদিন ফের সেই সুরই শোনা গেল তাঁর কথায়।

আসলে গ্রিনল্যান্ডে প্রচুর ধাতু রয়েছে, যা প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে জরুরি উপাদান। এর মধ্যে মোবাইল, ইলেকট্রিক গাড়ি, অস্ত্রশস্ত্রে ব্যবহৃত হওয়া বিরল ধাতুও রয়েছে। চিন যেখানে এই ধরনের ধাতুর ভাণ্ডার হওয়ায় আধিপত্য জারি করে রেখেছে, সেখানে গ্রিনল্যান্ড হাতে পেলে আমেরিকার প্রভাব আরও বাড়বে। এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের সম্পদের মূল্য ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে। আর সেই কারণেই ট্রাম্প তা দখল করতে চাইছেন নিরাপত্তার অছিলায়, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের পর এবার গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তারপরই তাঁকে পালটা দিলেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী ও গ্রিনল্যান্ডের নেত্রী মেটে ফ্রেডরিকসেন।
  • জানিয়ে দিলেন, এমন মন্তব্য একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।
  • দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে অধীশ্বর হওয়ার পর থেকেই গ্রিনল্যান্ডের দিকে নজর ট্রাম্পের!
Advertisement