shono
Advertisement
Iran

জনপ্রিয় ‘প্রেয়ার অ্যাপ’ই হাতিয়ার মোসাদের! ইরানের ঘরে ঘরে কীভাবে ‘মনোযুদ্ধ’ ইজরায়েলের?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েলের এই পদক্ষেপ ছিল অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত। কারণ, এই অ্যাপটি ইরানবাসীর কাছে আস্থা এবং নির্ভরতার জায়গা। তাছাড়া এর মাধ্যমে ইরানের বিভিন্ন বয়সের মানুষজনের কাছেও পৌঁছে যাওয়া যায়।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 04:30 PM Mar 03, 2026Updated: 05:17 PM Mar 03, 2026

শুধু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নয়, কার্যত ইরানের ঘরে ঘরে ঢুকে পড়েছিল ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ। ইরানের জনপ্রিয় ‘প্রেয়ার অ্যাপ’ বা ‘প্রার্থনা অ্যাপ’ হ্যাক করে ‘মনোযুদ্ধ’ ঘোষণা করেছিল তেল আভিভ। জানা যাচ্ছে, শনিবার সকালে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় যখন কেঁপে উঠেছিল তেহরান, তখনই ইরানবাসী তাদের ফোনে একটি মেসেজ পেয়েছিলেন। যেখানে লেখা ছিল, ‘সাহায্য এসেছে’।

Advertisement

ইরানের একটি জনপ্রিয় ধর্মীয় অ্যাপ হল ‘বাড়ে সাবা’। এটি ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের নমাজের সময় মনে করিয়ে দেয়। শুধু তা-ই নয়, এটি ইসলামিক ক্যালেন্ডারও প্রদর্শন করে। ফলে অনেকের কাছেই এটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত একটি ‘ডিজিটাল সঙ্গী’। ইরানের সিংহভাগ মানুষই এটি ব্যবহার করে। সূত্রের খবর, এই অ্যাপেই ‘সাইবার যুদ্ধ’ চালিয়েছিল ইজরায়েল।

শনিবার যখন ইরানে আছড়ে পড়েছিল মার্কিন এবং ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র, প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ইরানবাসীর ফোনে সেই ‘বাড়ে সাবা’ অ্যাপের মাধ্যমে একটি মেসেজ আসে। লেখা ছিল, ‘প্রতিশোধ নেওয়ার সময় এসেছে। ইরানের নিরীহ জনগণের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর এবং নির্দয় কর্মকাণ্ডের জন্য শাসকগোষ্ঠীকে মূল্য চোকাতে হবে। সাহায্য এসে গিয়েছে।’ এর কিছুক্ষণ পর ওই অ্যাপ মারফত আরও একটি মেসেজ পান ইরানবাসী। সেখানে লেখা ছিল, ‘অস্ত্র নামিয়ে রাখুন অথবা স্বাধীনতার যুদ্ধ সমর্থন করুন।’  

ইরানের একটি জনপ্রিয় ধর্মীয় অ্যাপ হল ‘বাড়ে সাবা’। এটি ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের নামাজের সময় মনে করিয়ে দেয়। শুধু তা-ই নয়, এটি ইসলামিক ক্যালেন্ডারও প্রদর্শন করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েলের এই পদক্ষেপ ছিল অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত। কারণ, এই অ্যাপটি ইরানবাসীর কাছে আস্থা এবং নির্ভরতার জায়গা। তাছাড়া এর মাধ্যমে ইরানের বিভিন্ন বয়সের মানুষজনের কাছেও পৌঁছে যাওয়া যায়।

এদিকে সূত্রের খবর, খামেনেইকে হত্যার নেপথ্যেও রয়েছে মোসাদের 'সাইবার চক্রান্ত'। বেশ কয়েকমাস আগে থেকেই ইরানের সুপ্রিম লিডারকে হত্যার নিখুঁত পরিকল্পনা করা হয়। এখানে মোসাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। সেই মতো খামেনেইর ঘনিষ্ঠদের উপর গোপনে শুরু হয় নজরদারি। জানা গিয়েছে, তাঁদের মাধ্যমেই প্রাথমিকভাবে ইরানের সুপ্রিম লিডারের অবস্থান সম্পর্কে অবগত হন গোয়েন্দারা। শুধু তা-ই নয়, খামেনেইর দপ্তরের আশপাশে থাকা বেশ কিছু সিকিউরিটি ক্যামেরাও নাকি হ্যাক করা হয় বলে সূত্রের খবর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement