বুধবার তেল আভিভে নামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ বিমান। মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এর পর থেকে ভারত-ইজরায়েল বন্ধুত্বের বার্তা দিচ্ছেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। কার্যক্ষেত্রে তা প্রতিফলিত হচ্ছে। সামরিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মউ স্বাক্ষর করতে চলেছে উভয় দেশ। কেবল অস্ত্রই নয়, ভারতকে অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রের প্রযুক্তিও দেবে নেতনিয়াহুর দেশ। এর মধ্যে রয়েছে 'আয়রন ডোম', 'আয়রন বিম' এবং গোল্ডেন হরাইজনের মতো বিশ্বের দ্রুততম মিশাইল।
গতকালই ইজরায়েলের পার্লামেন্টে নিজের ভাষণে মোদি বলেন, "আজকের অনিশ্চিত পৃথিবীতে ভারত এবং ইজরায়েলের মতো আস্থাবান দু'টি দেশের মধ্যে শক্তপোক্ত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত জরুরি।" ইজরায়েলের একটি স্থানীয় সংবাদপত্রের দাবি, সামরিক ক্ষেত্রে ভারত-ইজরায়েল মউ চুক্তির দু'টি দিক রয়েছে। একদিকে যেমন উভয় দেশ প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একে অপরকে পাশে থাকার অঙ্গিকার করছে, অন্যদিকে অস্ত্র আদানপ্রদানের বিষয়টিও পাকা করতে চলেছে।
বুধবার তেল আভিভে নামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ বিমান। মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
মউ স্বাক্ষর হলে ভারত পাবে ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের(আইএআই) তৈরি একাধিক অস্ত্রের প্রযুক্তি। এর মধ্যে রয়েছে অ্যারো মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম 'রাফালস ডেভিড স্লিং'। শত্রুপক্ষের মাঝারি মানের ৩০০ কিমি রেঞ্জের মিশাইল এবং ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম এই অস্ত্র। এছাড়াও ইজরায়েলের আয়রন ডোম, যেটি ৪-৭০ কিলোমিটার রেঞ্জের রকেটকে প্রতিহত করতে সক্ষম। এর বাইরে রাফালে এবং এলবিটস আয়রম বিম, যেটি আকাশপথে ১০ কিমি রেঞ্জে শত্রুর ষড়যন্ত্রকে ঘায়েল করবে। তবে ভারত-ইজরায়েল সামরিক চুক্তিতে সকলের নজরে 'গোল্ডেন হরাইজন' মিসাইল। ঠিক কেমন এই ক্ষেপণাস্ত্র?
সুখোই ৩০এমকেআইয়ের মতো যুদ্ধবিমান থেকে নির্ভুল লক্ষ্যে ছোড়া যাবে এই দূরপাল্লার আধুনিক প্রযুক্তির মিসাইল। ১০০০-২০০০ কিলোমিটারের দূরের লক্ষ্যবস্তুতে চোখের নিমেষে আঘাত হানতে সক্ষম এটি। সাধারণ সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি মাটির নিচে থাকা বাঙ্কার চুরমার করতে পারে 'গোল্ডেন হরাইজন'। এমনকী পরমাণু ঘাঁটিকেও নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে। এর গতিবেগ ব্রহ্মসের থেকে অনেকটাই বেশি। এটিই বর্তমানে পৃথিবীর সবেচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র বলে দাবি করা হচ্ছে।
