সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্ষমতার লোভে নোবেল পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব! খানিকটা এমনই পদক্ষেপ করলেন গতবছরের শান্তির নোবেলপ্রাপক মারিয়া কারিনা মাচাদো। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রীর মতে, নোবেল পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার ট্রাম্প। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নিজের নোবেল পুরস্কার ভাগ করে নিতে চান বলে জানিয়েছেন মাচাদো।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে 'ভেনেজুয়েলায় স্বাধীনতার সূর্যোদয়' বলে উল্লেখ করেন নোবেলজয়ী। এমনকি ভেনেজুয়েলার পরবর্তী প্রেসিডেন্টও বেছে দিয়েছিলেন। অনেকে মনে করেছিলেন, মাচাদোকে ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বে আনতে চাইবেন ট্রাম্প। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন, মাদুরোর ডেপুটি ডেলসি রডরিগেজের সঙ্গে ওয়াশিংটন কাজ করতে রাজি। তারপর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেন ডেলসি।
কিন্তু মাদুরোর প্রবল বিরোধী মাচাদোকে কেন নেতা হিসাবে চাইলেন না ট্রাম্প? মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাফ জবাব, দেশবাসীর সমর্থন বা সম্মান কোনওটাই নেই মাচাদোর কাছে। নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের কোনও যোগ নেই বলেই জানান ট্রাম্প। তারপরেই এক সাক্ষাৎকারে মাচাদো বলেন, "আমি নোবেল পাওয়ার পরেই সেটা ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেছিলাম। কারণ উনি এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। উনি গত ৩ জানুয়ারি যেটা করেছেন, সেটা অনেকেই অসম্ভব ভেবেছিল।"
নোবেলজয়ীর কথায়, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ কেবল ভেনেজুয়েলার নয় গোটা মানবজাতির জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই নিজের নোবেল পুরস্কার ভাগ করে নিতে চান। উল্লেখ্য, নোবেল পুরস্কার গ্রহণের পর এখনও ভেনেজুয়েলায় ফেরেননি মাচাদো। কারাকাসে মার্কিন হামলা, মাদুরোর গ্রেপ্তারির পরেও ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর কথা হয়নি। নোবেল ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব পেয়ে কি মাচাদো নিয়ে মত বদলাবেন ট্রাম্প? ভেনেজুয়েলার নেত্রী হিসাবে তুলে ধরবেন মাচাদোকে? প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কার জোটেনি।
