এক মাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার। ঘটনাস্থল সেই আমেরিকার মিনিয়েপলিস। অভিবাসন দপ্তর (আইসিই)-এর আধিকারিকের গুলিতে খুন হলেন এক যুবক। তারপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন সেখানকার গভর্নর টিম ওয়ালজ।
মিনিয়েপলিসের রাস্তায় ট্রাম্পের বাহিনী। ছবি: পিটিআই।
নিহত যুবকের নাম এখনও জানা যায়নি। তবে কী কারণে তাঁকে গুলি করা হল, তা স্পষ্ট করেছে আমেরিকার হোমল্যাল্ড সিকিউরিটি বিভাগ। তাদের ওই যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি অগ্নেয়াস্ত্র এবং দু’টি ম্যাগাজিন। এমনকী তিনি ওই এলাকায় অগ্নেয়াস্ত্রের ছবিও বিতরণ করছিলেন। পরিস্থিতি জটিল হতেই গুলি চালাতে বাধ্য হন আধিকারকরা। এমনটাই দাবি। এই ঘটনার পর নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে মিনিয়েপলিস। দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন প্রত্যেকে। ট্রাম্পকে একহাত নিয়েছেন মিনিয়েপলিস গভর্নরও। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, মিনিয়েপলিস গভর্নর এবং মেয়র জেকব ফ্রে আশান্তিতে উসকানি দিচ্ছেন।
প্রতিবাদে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। ছবি: পিটিআই।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই মিনিয়েপলিসে অভিবাসন আধিকারিকের গুলিতে মৃত্যু হয় ৩৭ বছর বয়সি রেনি নিকোল গুডের। তারপরই গোটা মিনিয়েপলিসজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল বিক্ষোভ। প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। ওই ঘটনায় সমালোচিত হয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে সেই ঘটনাকে সমর্থন করেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, ওই যুবতী অভিবাসন আধিকারিককে গাড়ি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তাই আত্মরক্ষার জন্যই গুলি চালানো হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন সকলে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এরকমই এক ঘটনা ঘটল মিনিয়েপলিসে।
