ইরান যুদ্ধের মাঝেই আমেরিকার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Texas Explosion)। আমেরিকার টেক্সাসে অন্যতম প্রধান তেল শোধনাগার ভ্যালেরোতে সোমবার এই ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে চারপাশের মাটি কেঁপে ওঠে। আগুন ধরে যার পুরো শোধনাগারটিতে। ভয়ংকর সেই ঘটনার একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যুদ্ধের মাঝেই মার্কিন জ্বালানি তেলের ঘাঁটিতে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এর নেপথ্যে কি ইরানের হাত?
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, স্থানীয় সময় অনুযায়ী সোমবার ৭টা ২২ নাগাদ ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। এরপরই দেখা যায় দাউদাউ করে জ্বলছে টেক্সাসের তেল শোধনাগারটি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিস্ফোরণ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘরবাড়ির কাঁচের জানালা ভেঙে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। দমকল বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, কী কারণে এই বিস্ফোরণ তা এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। পাশাপাশি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ চলছে। দুর্ঘটনার জেরে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে।
বিস্ফোরণ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘরবাড়ির কাঁচের জানালা ভেঙে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।
এদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের মাঝেই আমেরিকার অন্যতম তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণের ঘটনায় জল্পনা শুরু হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে ইরানের হাত থাকতে পারে। জল্পনা আরও ঘনীভূত হচ্ছে, কারণ বিস্ফোরণের নেপথ্য কারণ এখনও মার্কিন প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করা হয়নি। কড়া নিরাপত্তা, নিখুঁত অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা সত্ত্বেও এতবড় বিস্ফোরণে কপালে ভাঁজ পড়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। যদিও এই ঘটনার নেপথ্যে ইরান তত্ত্ব খারিজ করে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
উল্লেখ্য, ভ্যালেরো পোর্ট আর্থার শোধনাগারটি টেক্সাস উপসাগরীয় উপকূল থেকে প্রায় ৯০ মাইল দূরে অবস্থিত। এখানে প্রায় ৭৭০ জন কর্মী নিযুক্ত আছেন এবং এটি প্রতিদিন ৪৩৫,০০০ ব্যারেল গ্যাসোলিন, ডিজেল ও জেট ফুয়েল পরিশোধন করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শোধনাগারটিতে আগুন লাগলে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং আঞ্চলিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে।
