গত শতাব্দীর ছয়ের দশকের শেষে চাঁদের মাটিতে নেমেছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। কিন্তু গত পঞ্চাশ বছরে চাঁদের মাটিতে নামেনি কোনও মানববাহী মহাকাশযান। অবশেষে সেই খরা কাটিয়ে ফের আমেরিকায় মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা। ১ এপ্রিলই উৎক্ষেপণ। তবু আর্টেমিস-২ মিশন নিয়ে অনাগ্রহী সাধারণ মার্কিন নাগরিক!
বুধবার (মার্কিন সময় অনুযায়ী) চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেবে ওরিয়ন মহাকাশযান। যার ভিতরে থাকবেন আমেরিকার তিন জন এবং কানাডার এক জন নভশ্চর। যদিও ভারতে তখন ভোর চারটে বাজবে (বৃহস্পতিবার)। যদি কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়, সেক্ষেত্রে ৬ এপ্রিলের মধ্যে যে কোনও সময় শুরু হতে পারে অভিযান। কিন্তু এত দীর্ঘ সময় পরে চাঁদের মাটিতে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা, অথচ সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে তেমন কোনও হেলদোল নেই! মনে করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সংকট, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়ার চেয়ে মহাকাশ অভিযান নিয়ে বেশি মাথাব্যথার মতো ইস্যুই ফ্যাক্টর। আর সেই কারণেই এই অভিযানকে ঘিরে এহেন উৎসাহের অভাব!
বুধবার (মার্কিন সময় অনুযায়ী) চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেবে ওরিয়ন মহাকাশযান। যার ভিতরে থাকবেন আমেরিকার তিন জন এবং কানাডার এক জন নভশ্চর। যদিও ভারতে তখন ভোর চারটে বাজবে (বৃহস্পতিবার)।
তবে দেখা গিয়েছে, নাসার প্রতি মানুষের যে আস্থার অভাব রয়েছে তা নয়। তবু বর্তমান পরিস্থিতিতে কোটি কোটি ডলার খরচ করে চাঁদে মানুষ পাঠানোর বিষয়টি ভালোভাবে নিচ্ছেন না তাঁরা। এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, সেই কারণে মঙ্গলে প্রথমবার মানুষ পাঠানোর মতো বিষয়েও আমজনতা তেমন উৎসাহী নয়। তাঁরা মনে করছেন, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো বিষয়কেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এরই পাশাপাশি আরও একটি বিষয় রয়েছে। ১৯৬৯ সালে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, এখন তা নেই। কেননা চমকটা পুরনো হয়ে গিয়েছে। প্রযুক্তির এই উন্নতির যুগে মানুষের পা চাঁদের মাটিতে পড়ার মধ্যে তেমন বিস্ময়ের কিছু দেখছে না মানুষ। বরং বর্তমান সময়ে তা স্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে।
