shono
Advertisement
Greenland

এখনই গ্রিনল্যান্ড চাই! ডেনমার্কের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মার্কিন বিদেশ সচিব, সত্যিই সেনা নামাবেন ট্রাম্প?

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান নিয়েও নিজের মতামত জানালেন মার্কিন বিদেশ সচিব।
Published By: Saurav NandiPosted: 09:28 PM Jan 08, 2026Updated: 09:28 PM Jan 08, 2026

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই গ্রিনল্যান্ড চাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সে কথা স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়েও দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহেই গ্রিনল্যান্ডের 'অভিভাবক' ডেনমার্কের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। বুধবার তিনি নিজেই সে কথা জানিয়েছেন।

Advertisement

গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে প্রয়োজনে সামরিক অভিযানও চালানো হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন। এ দিকে, আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য ডেনমার্ক। প্রতিরক্ষার স্বার্থেই তারা ন্যাটোয় নাম লিখিয়েছিল। কিন্তু অন্য কোনও বিদেশি শক্তির পরিবর্তে সামরিক জোটের এক শরিকই যদি 'প্রতিপক্ষ' হয়ে ওঠে, সে ক্ষেত্রে ন্যাটোর অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে মনে করছেন অনেকে। এ নিয়েও নিজের মতামত দিয়েছেন রুবিও। তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে আমেরিকা সেনা নামাবে কি না, সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্পই। রুবিওর কথায়, "জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে যে কোনও প্রেসিডেন্টেরই সামরিক পদক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে। কূটনৈতিক হিসাবে আমার কাজই হল অন্য উপায়ে সমস্যার সমাধান করা।"


ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রিনল্যান্ড প্রায় ৩০০ বছর ধরে কোপেনহাগেন (ডেনমার্কের রাজধানী)-এর নিয়ন্ত্রণে। নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি পরিচালনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব দ্বীপটির স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ দেখেন। আর বিদেশ এবং প্রতিরক্ষানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ডেনমার্ক সরকার। আমেরিকার সঙ্গেও ডেনমার্কের বরাবর ভালো সম্পর্কই থেকেছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের কথা বলায় পালটা জবাব দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডরিকসেন। তিনি বলেন, “আমেরিকার কাছে আমার আর্জি, ঘনিষ্ঠ সঙ্গীকে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন।” একই সঙ্গে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “যে দেশ বা যে দেশের মানুষ বলছেন, আমরা বিক্রি হব না, তাঁদেরও হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্রিনল্যান্ড দখল করার কথা বলায় ফাঁপড়ে পড়েছে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত ইউরোপের দেশগুলি। ন্যাটো যেহেতু আমেরিকা নিয়ন্ত্রণ করে, তাই তারা ট্রাম্পের দাবিকে সমর্থন জানাবে না কি ডেনমার্কের পাশে দাঁড়াবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। অনেকের মত, রুশ হানা থেকে নিজেদের বাঁচাতে, প্রতিরক্ষার স্বার্থে ন্যাটোতে নাম লিখিয়েছিল ডেনমার্ক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়া নয়, ডেনমার্কের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বন্ধু আমেরিকাই। এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এ ভাবে চলতে থাকলে হয়তো ন্যাটো জোটই ভেঙে যাবে। এতে ইউরোপের স্থিতাবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে বলেই আশঙ্কা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই গ্রিনল্যান্ড চাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
  • সে কথা স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়েও দিয়েছেন তিনি।
  • এই পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহেই গ্রিনল্যান্ডের 'অভিভাবক' ডেনমার্কের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও।
Advertisement