অবশেষে সবুজ সংকেত তুরস্কের, ন্যাটোর সদস্য হতে চলেছে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন

02:16 PM Jun 29, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরে ন্যাটোর (NATO) সদস্যপদ নিতে আগ্রহী ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। কিন্তু তাদের যোগদান নিয়ে প্রবল আপত্তি তুলেছিল তুরস্ক (Turkey)। অবশেষে ন্যাটোর বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল ন্যাটোর দ্বিতীয় শক্তিশালী দেশ। লিখিত ভাবে জানিয়ে দিল, নতুন দুই দেশের সদস্যপদ গ্রহণে কোনও আপত্তি নেই তাদের। তুরস্কের অবস্থান পালটানোর নেপথ্যে আমেরিকার হাত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল কয়েকটি মহল থেকে। কিন্তু সেই কথা উড়িয়ে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)।

Advertisement

রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পরেই ন্যাটোয় যোগ দিতে তৎপর হয়ে ওঠে হেলসিঙ্কি ও স্টকহোম। মে মাসে সরকারি ভাবে ন্যাটোয় যোগ দিতে চেয়ে আবেদনপত্র জমা দেয় দুই দেশ। কিন্তু তখনই আপত্তি তোলে তুরস্ক। জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে ভেটো প্রয়োগ করে দুই দেশের যোগদান আটকে দেবে তারা। তুরস্কের অন্দরে কুর্দিশদের সমর্থন করার অভিযোগ তোলা হয় উত্তর ইউরোপের দুই দেশের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, কুর্দিশদের জঙ্গি সংগঠন হিসাবে চিহ্নিত করে তুরস্কের সরকার।

[আরও পড়ুন: ‘সাংবাদিকদের জেলে ভরা ঠিক নয়’, জুবেইরের গ্রেপ্তারিতে এবার সরব রাষ্ট্রসংঘ]

আজ থেকেই মাদ্রিদে শুরু হবে ন্যাটোর বৈঠক। তার আগেই নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসেছিল তুরস্ক, ফিনল্যান্ড (Finland) ও সুইডেন (Sweden)। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আপত্তি তুলে নেবে তুরস্ক। এই মর্মে মেমোরেন্ডাম সই করেন তিন দেশের বিদেশমন্ত্রী। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, “আমাদের তিন দেশের বিদেশমন্ত্রীরা একটি মেমোরেন্ডাম সই করেছেন। সেখানে লেখা আছে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ন্যাটোয় যোগ দিলে কোনও আপত্তি নেই তুরস্কের।” তুরস্কের প্রেসিডেন্ট, ন্যাটো প্রধানের তরফ থেকেও একই কথা জানানো হয়েছে। 

Advertising
Advertising

দুই দেশের যোগদান আসলে রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে সাফল্য হিসেবেই দেখছে ন্যাটো। তবে বেশ কিছু মহলের তরফ থেকে দাবি তোলা হয়েছিল, আমেরিকা মধ্যস্থতা করেছে বলেই দুই দেশকে মান্যতা দিয়েছে তুরস্ক। কিছু সুবিধা দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিকে। কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন আধিকারিক জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়ায় কোনও ভাবেই যুক্ত ছিল না আমেরিকা। তিন দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের যোগদানের ফলে বাল্টিক সাগর এলাকায় আধিপত্য বাড়বে ন্যাটোর। আগামী দু’ দিনের মধ্যেই সদস্যপদ গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন:আমেরিকাকে চাপে রাখার কৌশল! এবার বাইডেনের স্ত্রী ও কন্যার রাশিয়ায় প্রবেশে জারি নিষেধাজ্ঞা]

Advertisement
Next