আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত আবহেই শনিবার তেহরানে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল (Israel Strikes Iran)। সূত্রের খবর, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের দপ্তরের সামনেই মুহুর্মুহু গোলাবর্ষণ করেছে ইজরায়েলি সেনা! কিন্তু কোথায় আছেন খামেনেই? সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার সময়ে তেহরানে উপস্থিত ছিলেন না ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তবে ইতিমধ্যেই তাঁকে গোপন আস্তানায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।
পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার সকালে ইরানে অন্তত তিন-চারটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। এই হামলাকে তারা সতর্কতামূলক হামলা হিসাবে ব্যাখ্যা করেছে। সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইজরায়েল কাট্জ বলেছেন, “ইরানের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক হামলা চালানো হয়েছে। ইজরায়েল নিজেকে সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ করেছে।” একাধিক সংবাদমাধ্যম আবার দাবি করছে, ইজরায়েল এবং আমেরিকা যৌথভাবেই ইরানে হামলা চালিয়েছে। তবে ওয়াশিংটন এবিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি (এই প্রতিবেদন লেখার সময়)।
গত কয়েক মাস ধরেই আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে টানাপড়েন তুঙ্গে। তেহরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই মতো পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েনও করেছে আমেরিকা। তার জেরে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয় পশ্চিম এশিয়া জুড়ে। এই আবহে শুক্রবারই মার্কিন দূতাবাসের কর্মীদের ইজরায়েল ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। ঘটনাচক্রে, তার পরেই ইজরায়েলে হামলা চালাল বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ।
গত কয়েক মাস ধরেই আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে টানাপড়েন তুঙ্গে। তেহরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
প্রসঙ্গত, গত বছর ইরান এবং ইজরায়েল সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। তেহরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে বলে দাবি করে ‘আত্মরক্ষার্থে’ হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। প্রায় ১২ দিন ধরে সেই সংঘাত চলে। ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে আমেরিকাও হামলা চালিয়েছিল।
