ইরান যুদ্ধে নিজেদের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাবি করেছিল চিন। সেই চিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে গোপনে ইরানকে অস্ত্রপাচারের। এই ঘটনায় এবার ইরানকে ধুয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কড়া সুরে বুঝিয়ে দিলেন, যদি চিন ইরানকে অস্ত্র দেয় তবে ছেড়ে কথা বলবে না আমেরিকা। বিরাট সমস্যায় পড়তে হবে চিনকে।
রবিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কথা বলছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই সময় তাঁকে প্রশ্ন করা হয় ইরান যুদ্ধে বেজিংয়ের তরফে অস্ত্র পাচারের অভিযোগ প্রসঙ্গে। উত্তরে ট্রাম্প বলেন, 'যদি চিন এমনটা করে থাকে তবে এর ফল ভালো হবে না। ওদের বিরাট সমস্যার মুখে পড়তে হবে।' এর বেশি আর কোনও মন্তব্য অবশ্য করেননি ট্রাম্প। উল্লেখ্য, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, এই অবস্থায় চিন যদি তেহরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে তবে তা আমেরিকার জন্য মোটেই সুখের হবে না।
ট্রাম্প বলেন, 'যদি চিন এমনটা করে থাকে তবে এর ফল ভালো হবে না। ওদের বিরাট সমস্যার মুখে পড়তে হবে।'
প্রসঙ্গত, মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের তরফে দাবি করা হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে বিমানভেদী মিসাইল সিস্টেম পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বেজিং। কাঁধে বহনযোগ্য 'ম্যানপ্যাডস' (MANPADS) নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যের কোনও একটি দেশের মাধ্যমে তেহরানে পাঠানোর পরিকল্পনা করতে বেজিং। অল্প উচ্চতা দিয়ে উড়ে চলা হেলিকপ্টার কিংবা যুদ্ধবিমানকে নিশানা করতে এই অস্ত্রের জুড়ি নেই। সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় যে কোনও জায়গায় একে নিয়ে যাওয়া যায়। কাঁধে ঝুলিয়েই দেগে দেওয়া যায় ক্ষেপণাস্ত্র।
তবে আমেরিকার তোলা এই অভিযোগ কারিজ করেছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চিনা দূতাবাস। বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, তারা কেবল আত্মরক্ষার কৌশলের বিষয়ে কথা বলেছে ইরানের সঙ্গে। বেজিং এই যুদ্ধে কোনও পক্ষকেই কখনও অস্ত্র সরবরাহ করেনি। আমেরিকাকে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।
