ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমধস জয় পেয়েছে বিএনপি। এর পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে তারেক রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বিরত থেকে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছিলেন। যদিও নির্বাচন পরবর্তী দু'দিনে বাংলাদেশের ৩০টি জেলায় দুই শতাধিক সহিংসতার ঘটনা সামনে এসেছে। নিহত অন্তত ৩ জন। আহত তিনশোর বেশি মানুষ।
রবিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) সাংবাদিক সম্মেলন করে। সেখানে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক এজাজুল ইসলাম জানান, নির্বাচন পরবর্তী দু'দিনে ৩০টি জেলায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। মুন্সিগঞ্জ ও বাগেরহাটে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ময়মনসিংহে নির্বাচনী হিংসার মধ্যে পড়ে মৃত্যু হয়েছে একটি শিশুর। এছাড়া নোয়াখালিতে একটি ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
এদিকে নির্বাচনে হারার পর থেকেই নানাবিধ অভিযোগ আনছে জামাত। রবিবার নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান কমিশনারের সঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে জামাত নেতা হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, এবারের নির্বাচনে বড় হিংসার ঘটনা ঘটেনি। তবে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করতে গিয়ে আমরা অসুস্থ পরিবেশ খেয়াল করেছি। ভোটগ্রহণের সূচনা সুন্দর হলেও সমাপ্তি সুন্দর হয়নি। প্রচুর জালভোট হয়েছে, কালো টাকা ছড়ানো হয়েছে। ভোটগ্রহণের সময় ভয়ভীতি ছড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
এদিকে ঢাকা-৮ আসনের ফল পুনঃগণনার জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন এনসিপি নেতা নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারি। ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী মির্জা আব্বাসকে শপথ না পড়াতেও আবেদন করেছেন তিনি।এসব কিছুর মধ্যে পাটওয়ারি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমাদের লড়াই আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হবে।’ উল্লেখ্য, ঢাকা-৮ আসনে লড়াই করে হেরেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারি।
