shono
Advertisement
Bangladesh

২৯৯-এ মাত্র চার! বাংলাদেশ সংসদে সংখ্যালঘুর সংখ্যা নগণ্যই, জিতে চমক দুই বেয়াইয়ের

এই নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে মোট ৬ জনকে প্রার্থী করেছিল বিএনপি। যাঁদের মধ্যে পরাজিত হয়েছেন ২ জন। জামাত ও এনসিপি একজন করে সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছিলেন। তাঁরাও পরাজিত হন।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:44 PM Feb 13, 2026Updated: 08:48 PM Feb 13, 2026

অচলবস্থা পেরিয়ে জাতীয় নির্বাচনের পর গণতন্ত্রের জয়ধ্বজা উড়লেও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অবস্থা যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই! শুক্রবার ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পর দেখা গেল ২৯৯ আসনের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু প্রতিনিধি মাত্র ৪ জন। এঁদের মধ্যে দু'জন আবার সম্পর্কে বেয়াই। ৩ জন হিন্দু-সহ মোট ৪ জন সংখ্যালঘুই জয়ী হয়েছেন বিএনপির টিকিটে।

Advertisement

গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের ২৯৯টি আসনে সম্পন্ন হয়েছিল ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এই তালিকাতেই দেখা গেল ঢাকা-৩ আসন থেকে বিএনপির টিকিটে এবার জয়ী হয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামাতে শাহীনুর ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট। মাগুরা-২ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৬টি। সম্পর্কে ইনি আবার গয়েশ্বরের বেয়াই।

বিএনপির পাশাপাশি জামাত ও এনসিপি একজন করে সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছিলেন।  দু'জনেই নির্বাচনে হেরেছেন।

নির্বাচনে জয়ী তৃতীয় হিন্দু প্রার্থী হলেন রাঙামাটি আসনের দীপেন দেওয়ান। এই কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন এই বিএনপি প্রার্থী। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নির্দল প্রার্থী পহেল চাকমা। পেয়েছেন মাত্র ৩১ হাজার ২২২ ভোট। নির্বাচনে জয়ী তৃতীয় সংখ্যালঘু প্রার্থী হলেন সাচিং প্রু। বান্দরবান কেন্দ্র থেকে বিএনপির টিকিটে জয়ী এই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আবু সইদ। তাঁর প্রাপ্ত ভোট মাত্র ২৬ হাজার ১৬২।

নির্বাচনে জয়ী ৪ সংখ্যালঘু প্রার্থী, ওপরে বাম থেকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নিতাই রায় চৌধুরী, নিচে ওসাচিং প্রু ও দীপেন দেওয়ান।

জানা যাচ্ছে, এই নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে মোট ৬ জনকে প্রার্থী করেছিল বিএনপি। যাঁদের মধ্যে পরাজিত হয়েছেন ২ জন। এরা হলেন, বাগেরহাট–১ আসনের কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ও বাগেরহাট–৪ আসনের সোমনাথ দে। বিএনপির পাশাপাশি জামাত ও এনসিপি একজন করে সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছিলেন। তাঁরা হলেন খুলনা–১ আসনে জামাত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী এবং মৌলভীবাজার–৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী প্রীতম দাশ। দু'জনেই নির্বাচনে হেরেছেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement