shono
Advertisement
Bhatpara

থানার লকআপে 'আত্মহত্যার চেষ্টা', নিজের গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ যুবকের!

চলতি মাসের ২২ তারিখ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ভাটপাড়ার রামনগর কলোনি ২৮ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রেম কুমার সাউকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল একটি সেভেন এমএম বন্দুক।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 06:46 PM Jan 28, 2026Updated: 07:25 PM Jan 28, 2026

ভাটপাড়া থানার লকআপে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের! বুধবার সকালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। যদিও এনিয়ে কমিশনারেটের কোনও পুলিশ কর্তাই মুখ খুলতে চাননি। তবে পুলিশ সূত্রেই জানা গিয়েছে, ধৃত প্রেম কুমার সাউয়ের গলায় ধারালো কিছু দিয়ে কোপের আঘাত ছিল। তাঁকে চিকিৎসার জন্য কল্যাণীর জেএনএম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।

Advertisement

জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ২২ তারিখ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ভাটপাড়ার রামনগর কলোনি ২৮ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রেম কুমার সাউকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল একটি সেভেন এমএম বন্দুক। কী উদ্দেশ্যে সে আগ্নেয়াস্ত্র রেখেছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বারাকপুর মহকুমা আদালতের নির্দেশে ধৃতকে সাত দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে পেয়েছিল ভাটপাড়া থানার পুলিশ। সাতদিনের হেফাজত শেষে আগামিকাল, বৃহস্পতিবার তাকে বারাকপুর আদালতে পেশ করার কথা ছিল। ঠিক তার আগের দিন সকাল আনুমানিক ১১টা নাগাদ ঘটে যায় চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা।

সূত্রের খবর, শৌচাগারে যাওয়ার নাম করে প্রেম কুমার ধারালো কিছু দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে তাকে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে পুলিশি হেফাজতে থাকা ধৃতদের নিরাপত্তা নিয়ে। এনিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তার দাবি, প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে কাঁচের বোতল ভেঙে ধৃত নিজের গলায় কোপ দিয়েছে। সেই সময় কর্তব্যরত পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্যের পরে আরেকটি প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কিভাবে শৌচাগারে সকলের নজর এড়িয়ে কাঁচের বোতল ছিল? বোতল ভেঙে কাঁচের টুকরো দিয়ে ধৃত নিজের গলায় কোপ না দিয়ে ভাঙা কাঁচ দিয়ে লকআপে থাকা অন্য ধৃতের উপর বা পুলিশের উপর হামলা চালালে ঘটনা আরও ভয়াবহ হত বলেও মনে করছে বিভিন্ন মহল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement