বেলডাঙা কাণ্ডে এবার গ্রেপ্তার মিম নেতা। উসকানি ও জনতাকে ক্ষেপিয়ে অশান্তি পাকানোর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এই মিম নেতার বিরুদ্ধে। তাঁকে বেলডাঙায় হওয়া অশান্তির মূলচক্রী হিসাবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।
হায়দরাবাদে সংখ্যালঘুদের দল মিম। এই দলের শাখা রয়েছে বাংলায়। সেই দলের বেলডাঙা ১ ব্লকের সভাপতি মতিউর রহমান। তাঁকেই অশান্তি পাকানোর মূলচক্রী হিসাবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতেই স্থানীয় বডুয়া মোড় থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, মারধর ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে মিম নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবারের পর শনিবারও উত্তপ্ত হয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। জাতীয় সড়ক অবরোধ, ট্রেন অবরোধ ভাঙচুর, সাংবাদিকদের মারধর দিনভর একের পর ঘটনা উত্তপ্ত হয়ে থাকে এই এলাকা। অবশেষে অ্যাকশন মোডে নামে পুলিশ। পথে নামে এসপি কুমার সানি রাজ। তিনি সেই সময় জানিয়েছিলেন, "কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিও দেখে শনাক্ত করা হবে। যেখানেই থাক তাঁদের গ্রেপ্তার করা হবে।" তারপরই গ্রেপ্তার করা হয় এই মিম নেতাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে মিম নেতা মতিউর মারধর ও ভাঙচুর করছে। তা দেখেই মতিউরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে আজ, রবিবার সকাল থেকে ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়েছে। শিয়ালদহ থেকে লালগোলায় পরিষেবা শুরু হয়েছে। এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী।
উল্লেখ্য, ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার এক সংখ্যালঘু যুবকের মৃত্যুতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মর্শিদাবাদের বেলডাঙা। উত্তেজিত জনতা পথ ও ট্রেন অবরোধ শুরু করে। ভাঙচুরও চলে। এই ঘটনায় এখনও ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
