গলায় অস্ত্র ধরে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিবেশী দাদুর। পাড়ার এক মহিলা দেখতে পেরে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বৃদ্ধকে। আর এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে রণক্ষেত্র হয়ে উঠে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ। অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন স্থানীয়রা। পুলিশের সঙ্গে বচসায় উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। নামাতে হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। এলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে আজ, রবিবার এলাকায় বনধ ডাকা হয়েছে।
নির্যাতিতা ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়া। সে কোচবিহারের (Cooch Behar) মেখলিগঞ্জের জামালদহ এলাকার বাসিন্দা। প্রতিবেশী এক দাদু তার উপর যৌন নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি কাউকে জানানে পরিণাম ভালো হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।প্রথমে বিষয়টি সামনে না এলেও, শনিবার ঘটনাটি জানাজানি হয়। নাবালিকা উদ্ধার করেন প্রতিবেশী এক মহিলা। তিনি বলেন, "এক হাতে দা ধরে, মুখ চেপে নাবালিকাকে ধর্ষণ করছিল বৃদ্ধ। আমি সেই সময় ওখানে না পৌঁছলে, মেয়েটিকে হয়তো মেরেই ফেলত। আমি ওকে উদ্ধার করে বাড়িতে দিয়ে আসি। পরিবারের লোক ভয়ে কিছু জানায়নি।"
শনিবার রাতে খবর চাউর হতেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। রাতে অভিযুক্ত বৃদ্ধের বাড়িতে চড়াও হয় এলাকাবাসী। শনিবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ জামালদহ তুলসীদেবী হাই স্কুলের সামনে রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। আধিকারিকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয়রা। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। ঘটনার প্রতিবাদে আজ, রবিবার বনধ ডাকা হয়েছে। জামালদহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তামাং জানান, "অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।"
