রাতে বাড়িতে একা ছিলেন বৃদ্ধা। সকালে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বৃদ্ধাকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায়। স্থানীয়দের অনুমান, খুন করা হয়েছে বৃদ্ধাকে। কিন্তু কেন খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়।
মৃতার নাম কৌশল্যা বিশ্বাস। বয়স ৭০ বছর। তিনি নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা গেদে দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বৃদ্ধার ছেলে রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও পুত্রবধূ স্থানীয় সতীমায়ের মেলায় গিয়েছিলেন। বাড়িতে একাই ছিলেন বৃদ্ধা। রবিবার সকালে মায়ের সাড়াশব্দ না পেয়ে তাঁর ঘরে যান ছেলে রবীন্দ্রনাথ। তিনি দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেয় পড়ে রয়েছেন কৌশল্যাদেবী। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কৃষ্ণগঞ্জ থানায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৌশল্যাদেবীকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রতিবেশীদের দাবি, বৃদ্ধাকে খুন করা হয়েছে। তবে কী কারণে খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশা। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ এখনও কিছু জানায়নি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে, রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
