shono
Advertisement
West Bengal Police

হাদি হত্যার কিনারায় বড় সাফল্য রাজ্য পুলিশের! বনগাঁয় এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার ২ বাংলাদেশি

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা তথা ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ ওসমান হাদি। তা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ।তিনমাস পর গ্রেপ্তার হল খুনিরা।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 06:01 PM Mar 08, 2026Updated: 06:40 PM Mar 08, 2026

প্রতিবেশী বাংলাদেশের তরুণ রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদি খুনের কিনারায় বড়সড় সাফল্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের। হত্যাকাণ্ডের পর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে এসেছিল ২ খুনি। গা ঢাকা দিয়েছিল বাংলার সীমান্ত জেলা বনগাঁয়। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করেছে এসটিএফ। ধৃতরা পটুয়াখালি এবং ঢাকার বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তাদের নাম রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগির হোসেন। গত ডিসেম্বরে এক দুপুর নমাজ পড়ে ফেরার পথে ঢাকার অদূরে পুরাতন কালভার্ট রোডে প্রকাশ্য গুলিতে খুন হন বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা তথা ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ ওসমান হাদি। তা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। ঘটনার তিনমাস পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হল খুনিরা।

Advertisement

বাংলাদেশের তরুণ রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদি খুনের কিনারায় বড়সড় সাফল্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের। হত্যাকাণ্ডের পর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে এসেছিল ২ খুনি। গা ঢাকা দিয়েছিল বাংলার সীমান্ত জেলা বনগাঁয়। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করেছে এসটিএফ।

গত বছর হাদি হত্যাকাণ্ড ভোটমুখী বাংলাদেশের বেহাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নগ্ন ছবি তুলে ধরেছিল। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক স্তরেও যথেষ্ট আলোড়ন ফেলে। সেসময় বাংলাদেশ পুলিশ, তদন্তকারীরা অভিযোগ তুলেছিলেন যে হাদির খুনিরা পালিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। কিন্তু নয়াদিল্লি সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেয়। তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস আশ্বাস দিয়েছিলেন, হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার করে প্রকৃত বিচার হবে। এরপর অবশ্য পদ্মাপাড়ে অনেক বদল হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বা বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন তারেক রহমান। শাসনক্ষমতায় এসেই তিনি দেশ সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছেন।

এরই মাঝে রাজ্য পুলিশের হাতে হাদির ২ খুনির গ্রেপ্তারি খুব বড় সাফল্য বলেই মনে করা হয়। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, গত ডিসেম্বরে ঢাকায় গুলি চালিয়ে ওসমান হাদিকে ঝাঁজরা করে দেওয়ার পরই রাহুল এবং আলমগির হোসেন পালানোর ছক কষে। সেইমতো তারা অবৈধভাবে মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। তারপর একাধিক জায়গায় গা ঢাকা দেওয়ার পর বনগাঁয় এসে ডেরা বাঁধে। পুলিশের কাছে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ শনিবার মাঝরাতে বনগাঁ থেকে পটুয়াখালির বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম এবং ঢাকার আলমগির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার তাদের আদালতে পেশ করা হয়েছিল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement