নির্দিষ্ট সময়ের আগেই এসআইআরের শুনানির কাজ শেষ করেছিলেন তিনি। সেরা বিএলও হিসেবে নির্বাচন কমিশনের থেকে পুরষ্কৃতও হয়েছিলেন। এবার তিনিই পেলেন শুনানির নোটিস! কিন্তু তাঁকে কে নোটিস ধরাবে? অগত্যা নিজের নামে আসা ওই নোটিস নিজেই গ্রহণ করলেন বিএলও সাজ্জাদ হোসেন। আগামী ২৮ জানুয়ারি তাঁকে শুনানিতে তলব করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারীতে। কিন্তু তিনি কীভাবে ওই ডাক পেতে পারেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোরও।
বংশীহারী ব্লকের ২০৮ নম্বর পার্টের বিএলও হিসেবে কাজ করছেন সাজ্জাদ হোসেন। বুনিয়াদপুর পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ব্লক অফিস পাড়ার বাসিন্দা তিনি। পেশায় বংশীহারী ব্লকের সমসপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। জানা গিয়েছে, ২০১২ সাল থেকে তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করছেন। এই কাজে তাঁর যথেষ্ট অভিজ্ঞতাও ছিল। কয়েক বছর আগে তিনি সেরা বিএলও হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছেন। এবারও তিনি এসআইআরের কাজ দক্ষ হাতে সামলাচ্ছেন। চলতি এসআইআর প্রক্রিয়ায় নিজের কাজ সঠিকভাবে সময়ের আগে শেষ করেছিলেন তিনি। সেজন্য সেরা বিএলও-র পুরস্কারও তিনি পেয়েছেন।
এবার সাজ্জাদ হোসেনও শুনানিতে ডাক পেলেন। গতকাল, শনিবার তাঁর কাছে শুনানির নোটিস এসেছে। আগামী ২৮ তারিখ ডাক পড়েছে বলে খবর। কিন্তু কী কারণে তাঁর ডাক পড়ল? সাজ্জাদ হোসেন জানিয়েছেন, তাঁরা ছয় ভাই-বোন। যাবতীয় তথ্যও দেওয়া হয়েছে। ২০০২ সালের তালিকায় নাম ঠিক ছিল। কিন্তু কমিশনের অ্যাপে বাবার নাম ভুল এসেছে। ঘটনা জানাজানি হতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
