পারিবারিক উৎসব চলাকালীন দুঃসহ ঘটনা। শাশুড়ির ঘরে ঢুকে ধর্ষণের অভিযোগে হাতেনাতে গ্রেপ্তার জামাই। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির মণ্ডল গ্রামের এই ঘটনা ঘিরে তুমুল শোরগোল। জামাইয়ের কুকীর্তির বিরুদ্ধে নিজে মেমারি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান বছর পঁয়তাল্লিশের মহিলা। তার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার হয়ে আপাতত অভিযুক্ত জামাই পুলিশ হেফাজতে।
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার। ওইদিন মণ্ডল গ্রামে নির্যাতিতার পরিবারে একটি অনুষ্ঠান ছিল। তাতে আমন্ত্রিত ছিলেন আত্মীয়স্বজনরা। এই পরিবারের ভাগ্নি জামাই গয়েশপুর গ্রামের শ্যামল মহালি। তিনিও আমন্ত্রিত ছিলেন পারিবারিক উৎসবে। দিনভর হইহুল্লোড়, আনন্দের পর রাতে যে যার ঘরে ঘুমোতে যান। এরপরই ঘটে যায় ঘটনাটি। অভিযোগ, রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শ্যামল ছাদের টালি খুলে তার মামিশাশুড়ির ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করে। বাড়ির সকলে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল। তাই মহিলা চিৎকার করলেও প্রথমে কেউ বুঝতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর সকলের সম্বিৎ ফেরে। হাতেনাতে ধরা পড়ে জামাইয়ের কুকীর্তি।
অভিযোগ, রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শ্যামল ছাদের টালি খুলে তার মামিশাশুড়ির ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করে। বাড়ির সকলে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল। তাই মহিলা চিৎকার করলেও প্রথমে কেউ বুঝতে পারেননি।
অভিযুক্ত শ্যামলকে ধরে পরিবারের সদস্যরা একটি ঘরে তালাবন্দি করে রাখেন। কিন্তু সেই ঘরেরও ছাদের টালি খুলে চম্পট দেয় সে। এরপর রবিবার সকালে নির্যাতিতাকে নিয়ে মেমারি থানায় যান পরিবারের সদস্যরা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযুক্ত জামাইকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার তাকে বর্ধমান আদালতে তোলা হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় গ্রামে রীতিমতো ছিছিক্কার পড়ে গিয়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের সকলে জামাইয়ের এমন কীর্তিতে তাজ্জব। নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে এসে কাণ্ড দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারছেন না কেউ। প্রতিবেশীরাও গোটা ঘটনায় আতঙ্কিত।
