shono
Advertisement
Akshay Kumar

'আমার শরীর ২ টুকরো হয়ে যেতে পারত', হাড়হিম করা শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা অক্ষয়ের

জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ক্যামেরার সামনে একাধিকবার শট দিয়েছেন অক্ষয়। খোলামেলা আলাপচারিতায় অক্ষয় জানান, স্টান্ট করতে গিয়ে প্রাণনাশও হতে পারত অক্ষয়ের!
Published By: Kasturi KunduPosted: 03:03 PM Apr 18, 2026Updated: 03:30 PM Apr 18, 2026

১৭ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে অক্ষয় কুমার অভনীত হরর কমেডি মুভি 'ভূত বাংলা'। মুক্তির প্রথম দিনেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া বক্স অফিসে। তবে অক্ষয়ের ফিল্মি কেরিয়ারের খরা কাটাতে 'ভূত বাংলা' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে তা বললে অত্যুক্তি হবে না। নতুন ছবি মুক্তির পরই অতীতের এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন আক্কি। স্টান্ট করতে গিয়ে প্রাণনাশও হতে পারত অক্ষয়ের! সম্প্রতি এক ইউটিউব চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে 'সৈনিক' ছবির স্টান্ট দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে কী ঘটেছিল সেই স্মৃতি রোমন্থন করেছেন।

Advertisement

স্টান্টের জন্য অক্ষয় কখনও বডি ডাবলের সাহায্য নেন না। নিজেই নিজের স্টান্ট করার জন্য পরিচিত বলিউডের খিলাড়ি। স্টান্টের পিছনে লুকিয়ে থাকে মৃত্যুর হাতছানি। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ক্যামেরার সামনে একাধিকবার শট দিয়েছেন অক্ষয়। খোলামেলা আলাপচারিতায় অক্ষয় জানান, আগে স্টান্ট করার সময় তেমন কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকত না। আজকের মতো তখন ভিএফএক্স বা আধুনিক প্রযুক্তির এতটা বারবাড়ন্ত ছিল না। অনেক দৃশ্যই বাস্তবে করতে হত যা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

ঝুঁকি নিয়ে স্টান্ট!

অক্ষয় বলেন, "সৈনিকের শুটিং চলাকালীন এক বিল্ডিং থেকে অন্য বিল্ডিংয়ে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। সেই সময় মনে হচ্ছিল আমি বোধহয় পড়ে যাব। তখন তো প্রযুক্তি এত উন্নত হয়নি। ভিএফএক্সের কোনও সুযোগ সুবিধা ছিল না, সব নিজেকেই করতে হত।"

‘সৈনিক’ ছবির একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, দুটি বিল্ডিংয়ের মাঝখানে স্টান্ট করার সময় প্রাণঘাতী পর্যন্ত হতে পারত। শুটিংয়ের মাঝে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন যে শটটা নিরাপদে শেষ করতে পারবেন কিনা সেটা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন অক্ষয়।

তাঁর কথায়, "সৈনিকের শুটিং চলাকালীন এক বিল্ডিং থেকে অন্য বিল্ডিংয়ে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। সেই সময় মনে হচ্ছিল আমি বোধহয় পড়ে যাব। তখন তো প্রযুক্তি এত উন্নত হয়নি। ভিএফএক্সের কোনও সুযোগ সুবিধা ছিল না, সব নিজেকেই করতে হত। 'ইন্টারন্যাশনাল খিলাড়ি' ছবিতে একটা নৌকার দৃশ্যে শট দেওয়ার সময় আমার শরীরের অর্ধেকটা কেটে যেতে পারত। সামনে একটা ক্রুজ আসছিল আর মাঝখান দিয়ে আমার নৌকাটির যাওয়ার কথা। আমি শরীর ছিন্নভিন্ন হতে যেতে পারত কিন্তু সেই যাত্রায় ভগবানের আশীর্বাদে বেঁচে গিয়েছি।”

স্টান্ট করতে গিয়ে বিপদের সম্মুখীন আক্কি।

আরও জানান, খিলাড়ি ৭৮৬তে যখন আমি লাফ দিচ্ছিলাম তখন একটা হট এয়ার বেলুনে ঝাঁপ দিতে হয়েছিল। কেরিয়ারে এমন অনেক মুহূর্ত এসেছে যেখানে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত কিন্তু বরাতজোরে প্রাণে বেঁচেছেন। এইসব বিপজ্জনক অভিজ্ঞতার পরও অক্ষয়ের পরিবার নিশ্চিন্তেই থাকত। অভিনেতার সংযোজন, "আমার স্ত্রী টুইঙ্কল এই ঝুঁকিপূর্ণ পেশার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন। ওঁর বিশ্বাস আমি সুস্থ শরীরেই বাড়ি ফিরে আসব।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement