সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মানসিক নাকি শারীরিকভাবে সঙ্গীর বিশ্বাসঘাতকতা বেশি প্রভাব ফেলে? নিজেদের শোয়ে এই প্রশ্ন ছুড়ে রীতিমতো বিতর্কে জড়িয়েছিলেন টুইঙ্কল খান্না ও কাজল। বলিউডের বহু তারকাই দুই অভিনেত্রীর শোয়ের এই বিষয়ের নিন্দায় মুখ হয়েছিলেন। বলেছিলেন, বিশ্বাসঘাতকতার আলাদা করে কোন 'জাস্টিফিকেশন' হয় না। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ল অভিনেত্রী গৌতমী কাপুরের।
এই নিয়ে অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "আমি ঠিক জানি না তাঁরা কী বলেছেন। তাই আমি এই নিয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাই না। কারণ আমার ভাবনাচিন্তা তাঁদের সঙ্গে মিলবে না। তবে আমি মনে করি বিশ্বাসঘাতকতার আলাদা করে কোনও সংজ্ঞা হয় না। কাউকে ঠকানো মানে ঠকানোই তা শারীরিকভাবে হোক আর মানসিকভাবে। আসলে আমি আমার সম্পর্ক নিয়ে খুব পজেসিভ। সে আমার স্বামীই হোক আর বন্ধুবান্ধব বা ভাই-বোন। আমি আমার সম্পর্ক ও প্রিয়জনেদের নিয়ে খুবই পজেসিভ।' যদিও এই মন্তব্যের পর গৌতমী এও বলেন, 'আমার মনে হয় এই মন্তব্য টুইঙ্কল করেছে, তবে তাঁরা তাঁদের মতামত প্রকাশ করেছে। বলে রাখি আমি ওদের দু'জনকেই খুব ভালোবাসি।'
উল্লেখ্য, জাহ্নবী কাপুর ও করণ জোহরকে নিয়ে একটি বিশেষ পর্বেই এমন প্রশ্ন করেছিলেন কাজল ও টুইঙ্কল। কথপোকথনের মাঝেই টুইঙ্কল প্রশ্ন ছোড়েন, “বিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রেম না বোঝাপড়া কোনটা দরকার?” জাহ্নবী এবং টুইঙ্কল প্রেমের উপর জোর দিলেও দ্বিমত পোষণ করে কাজল বলেন, “বোঝাপড়া ছাড়া সম্পর্ক টেকানো যায় না।” ঠিক তখন বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন টুইঙ্কল। প্রশ্ন ছোড়েন, “মানসিক নাকি শারীরিকভাবে সঙ্গীর বিশ্বাসঘাতকতা বেশি প্রভাব ফেলে?” তার উত্তরেই জাহ্নবীকে বলতে শোনা যায়, “স্বামীর পরকীয়া কিংবা অন্য যৌনসঙ্গী থাকা মেনে নেওয়া যায় না।” এতেই করণ জোহর বলেন, “শারীরিকভাবে অন্য কারও সঙ্গে সঙ্গী ঘনিষ্ঠ হলে সেটাকে সম্পর্ক ভাঙার জন্য দায়ী করা যায় না।” বন্ধুর কথায় সায় দিয়ে টুইঙ্কল বলেন, “আসলে আমরা পঞ্চাশ পেরিয়েছি। জাহ্নবী তো এখনও কুড়ির কোঠায় রয়েছে, তাই ও যেদিন আমাদের বয়সে আসবে সেদিন হয়তো বুঝবে। কারণ আমরা যা দেখেছি, ওর সেই অভিজ্ঞতা এখনও হয়নি। এগুলো রাত গয়ি, বাত গয়ি।”
