সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রোশন পরিবারে বেজেছে বিয়ের সানাই। সেই বিয়েতেই প্রাক্তন ও বর্তমানকে নিয়ে একসঙ্গে ধরা দিয়েছেন বলিউডের 'গ্রিক গড' হৃতিক রোশন। সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাঁর দুই সন্তানকেও। পরিবারিক সেই বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বিগত কয়েকদিন ধরেই নানা মুহূর্তের ছবি পোস্ট করেছেন রোশনপুত্র। তবে শনি সকালে তাঁর একটি পোস্ট ঘিরে নেটপাড়ায় তৈরি হয়েছে তুমুল কৌতূহল। সত্যি বলতে নায়ক সেই পোস্টে দাবি করেছেন যে, উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি নাকি বাঙালি। আর তা থেকেই সকলের মনে কৌতূহল জেগেছে স্বাভাবিকভাবে। অনেকেই ভাবছেন হৃতিক কী করে বাঙালি?
ইতিহাস বলছে, বলিউডের 'কৃষে'র শরীরে যে রক্ত বইছে তাতে মিশে রয়েছে পঁচিশ শতাংশ বাঙালি রক্ত। আসলে হৃতিকের ঠাকুমা ছিলেন একজন বাঙালি। নাম ছিল ইরা মিত্র। তিনি ছিলেন সুগায়িকা। অল ইন্ডিয়া রেডিওতে চাকরি করতেন ইরা দেবী। সেখানেই প্রেম হয় হৃতিকের ঠাকুর রোশনলাল নাগরথের সঙ্গে। আর সেখান থেকেই হৃতিক জন্মসূত্রে পঁচিশ শতাংশ বাঙালি হৃতিক। আর এই পঁচিশ শতাংশ বাঙালিয়ানার কথাই জানান তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টের ক্যাপশনে। সঙ্গে জুড়ে দেন একগুচ্ছ নজরকাড়া ছবি। হ্যাশট্যাগে লেখেন, 'সোনারবাংলা' ও 'মাছের ঝোল'।
বলে রাখা ভালো হৃতিকের জীবনে তাঁর ঠাকুমা একটা বড় জায়গা জুড়ে রয়েছেন। এমনকী তাঁর ডাক নাম 'ডুগ্গু'ও তাঁর ঠাকুমারই রাখা। বাবা রাকেশ রোশনের ডাকনাম গুড্ডুকে শুধু উলটে দিয়ে নাতির আদুরে নাম রেখেছিলেন ইরা দেবী। ঠাকুমার হাতে তৈরি মাছের ঝোল ছিল হৃতিকের বড় প্রিয়। শুধু তাই নয়, কলকাতাতেই প্রথম মঞ্চে পারফর্ম করেছিলেন হৃতিক। কাজেই ব্যক্তিগত থেকে পেশাদার জীবন হৃতিকের সবকিছুর সঙ্গে যে একটা বাঙালিয়ানা জুড়ে রয়েছে তা বলাই বাহুল্য
