বিটাউনের অন্দরে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু যেন ঘটতেই থাকে। তারকাদের নিয়ে মজার মিম বানানো, ট্রোল করা তো সিনেপাড়ার চেনা ছবি। নেটফ্লিক্সে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি 'কর্তব্য-এর ট্রেলার লঞ্চের অনুষ্ঠানে যেতেই সমাজমাধ্যমে সইফ আলি খানকে নিয়ে মিমের বন্যা! সিনেমার পোস্টারে নিজের ছবি ছুঁয়ে প্রণাম করতেই নেটভুবনে 'হাসির পাত্র' সইফ! হাসির রোল নেটপাড়ায়! স্টেজে ওঠার সময় তারকারা প্রণাম করেন, কিন্তু নিজের ছবিতে? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সোশাল মিডিয়ায়। অতঃপরই ব্যাঙ্গাত্মক মিমের বন্যা।
সোশাল মিডিয়ায় নিজের কোনও পেজ নেই সইফের। তবে সব বিষয় একেবারে নখদর্পণে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সইফ নিজেই ব্যাখ্যা করেন কেন তিনি নিজের ছবি ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিয়েছিলেন। নতুন ছবি মুক্তির পরই অন্তত একটি হলেও মিম ভাইরাল হয়। এই মর্মে সইফের সাফাই, "হ্যাঁ, এটা আমারও নজর এড়ায়নি। অনেক মিমই তৈরি হয়।" এরপর অভিনেতার কাছে প্রশ্ন, এই বিষয়টা তিনি উপভোগ করেন বা পূর্বপরিকল্পিত? একগাল হাসি নিয়ে উত্তর, "না একেবারেই নয়, বরং পরে আমাকে ব্যাখ্যা করতে বলেছিল কেন আমি পোস্টারে নিজেকে ছুঁয়ে প্রণাম করেছিলাম।"
হাসির খোরাক সইফ!
সইফের সংযোজন, "ভালো কিছু মন্তব্য দেখলে স্বস্তি পাই। তারপর আর বেশি পড়ি না, কারণ লোভ বেড়ে যায়। কয়েকটা ভালো মন্তব্যই যথেষ্ট। কিন্তু আমরা আবার খারাপ মন্তব্যও খুঁজতে থাকি, যেন ইচ্ছে করে মন খারাপ করতে চাওয়া"।
মজার ভঙ্গিতে বলেন,"আমি আসলে ছবির জন্য শুভকামনা করছিলাম। বড় পোস্টারটা দেখে মনে হল, পুরো টিমের জন্য প্রার্থনা করব। আমি শুধু নিজের ছবি হিসেবে ভাবিনি, প্রতিটি কলাকুশলীর পরিশ্রম আর ভাবনার প্রতীক বলে মনে হয়েছিল তাই প্রণাম করেছিলাম। যা করেছিলাম অন্তর থেকেই করেছি।" মিমি দেখে কী প্রতিক্রিয়া সইফের? অভিনেতার অকপট জবাব, "দারুণ, বেশ ভালোই লাগে! আমি মনে করি এই বিষয়গুলোকে হালকা মেজাজেই নেওয়া উচিত। দর্শক আমাকে ভালোবাসেন এটাই শেষ কথা।"
সইফকে নিিয়ে মিমের বন্যা
সোশাল মিডিয়ার ট্রোলিং ও নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে সইফের সংযোজন, "আমার নিজের সোশাল মিডিয়ায় পেজ না থাকলেও ভালো-মন্দ সব কমেন্টেই নজর থাকে। ভালো কিছু মন্তব্য দেখলে স্বস্তি পাই। তারপর আর বেশি পড়ি না, কারণ লোভ বেড়ে যায়। কয়েকটা ভালো মন্তব্যই যথেষ্ট। কিন্তু আমরা আবার খারাপ মন্তব্যও খুঁজতে থাকি, যেন ইচ্ছে করে মন খারাপ করতে চাওয়া"।
