ইংল্যান্ড: প্রথম ইনিংস ৩৮৪, দ্বিতীয় ইনিংস ৩৪২ (বেথেল ১৫৪, ডাকেট ৪২)
অস্ট্রেলিয়া: প্রথম ইনিংস ৫৬৭, দ্বিতীয় ইনিংস ১৬১-৫ (লাবুশেন ৩৭, ওয়েদারল্যাড ৩৪)
অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেটে জয়ী।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম তিন টেস্ট হারতে হয়েছিল মাত্র ১১ দিনে। তারপর চতুর্থ টেস্টে খানিক অপ্রত্যাশিত জয়। পঞ্চম টেস্টে আবার সেই একই দুর্দশা ইংল্যান্ডের। এবারও পাঁচ উইকেটে হারলেন বেন স্টোকসরা। এই হারেই সম্ভবত ইংল্যান্ডের 'বাজবল' জমানার সমাপ্তিতে সিলমোহর পড়ে গেল।
পঞ্চম দিন সকালে নামার আগে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড ৮ উইকেট খুইয়ে তুলেছিল ৩০২ রান। লিড ছিল ১১৯ রানের। পঞ্চম দিন টেস্ট বাঁচাতে বা জেতার জন্য বড় কোনও মিরক্যালের অপেক্ষায় ছিলেন ইংরেজ সমর্থকরা। যে কাজটা করতে পারতেন জ্যাকব বেথেল। চতুর্থ দিনের শেষে ১৪২ রান অপরাজিত ছিলেন। কিন্তু একার লড়াই আর কতক্ষণ। তিনি এদিন সকালেই ব্যক্তিগত ১৫৪ রানে আউট হয়ে যান তিনি। ইংল্যান্ড অল আউট হয়ে যায় ৩৪২ রানে। পঞ্চম টেস্ট জয়ের জন্য অজিদের টার্গেট ছিল মাত্র ১৬১। সেই টার্গেটে পৌঁছতে অস্ট্রেলিয়া সময় নিল মাত্র ৩১ ওভার ২ বল। কার্যত পালটা বাজবল খেলে অনায়াসে পাঁচ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ট্র্যাভিস হেড (২৯), জ্যেক ওয়েদারল্যাড (৩৪), লাবুশানে (৩৭) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ৩৮৪ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। নজির গড়ে রুট সেঞ্চুরি করলেও বাকি ব্যাটাররা ডাহা ফেল। ফলে সুযোগ পেয়েও বড় রান তুলতে ব্যর্থ হয় ইংরেজরা। জবাবে অজিরা তুলে দেয় ৫৬৭ রান। ট্র্যাভিস হেড করেন ১৬৩ রান। সেঞ্চুরি করেন স্টিভ স্মিথও। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড লড়াই চালিয়েছে ঠিকই। কিন্তু সেই লড়াই যে যথেষ্ট নয়, সেটা চতুর্থ দিনই স্পষ্ট হয়ে যায় ইংল্যান্ডের গোটা টপ অর্ডারের ব্যর্থতায়। হারই ভবিতব্য ছিল, সেটাই হল।
৪-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ হারেই সম্ভবত ইংল্যান্ডের বাজবল জমানায় সমাপ্তিতে সিলমোহর পড়ে গেল। সূত্রের দাবি, ম্যাকালামকে বলে দেওয়া হয়েছে, অ্যাশেজের জন্য দল যে ঠিকমতো প্রস্তুত ছিল না সেটা স্পষ্ট। সেটার দায় তাঁকে নিতে হবে। তাছাড়া দল যেভাবে খেলছে তাতেও খুশি নয় ইসিবি। এমনকী দলের অন্দরের পরিবেশও ভালো না। এই পরিস্থিতি দ্রুত না বদলালে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শোনা যাচ্ছে, ড্রেসিংরুমেও অনেকে ম্যাকালামের উপর আস্থা হারাচ্ছেন। ফলে পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে অ্যাশেজের পর নিজেই পদত্যাগ করে দিতে পারেন প্রাক্তন কিউয়ি তারকা।
