সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) নিষিদ্ধ করা হবে, সেটা জানতেন না বিসিসিআইয়ের আধিকারিকরাই! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড কর্তা জানান, মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার খবর মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তাঁদের মতামত বা আলোচনা ছাড়াই মুস্তাফিজুর ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ডের একেবারে শীর্ষ নেতৃত্ব। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই সিদ্ধান্ত কি গণতান্ত্রিকভাবে নিয়েছে বিসিসিআই?
গত শনিবার বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সংবাদসংস্থা এএনআইকে জানান, “সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিসিসিআই থেকে কেকেআরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের বাংলাদেশি প্লেয়ার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দিতে হবে। তবে বিসিসিআই এটাও তাদের বলেছে যদি তারা কোনও বিকল্প প্লেয়ার চায়, তাহলে সেক্ষেত্রে বোর্ড সেটার অনুমতি দেবে।” এই ঘোষণার পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে শুরু হয় ব্যাপক টানাপোড়েন।
এহেন পরিস্থিতি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বিসিসিআইয়ের এক আধিকারিক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্তা সর্বভারতীয় সংবাদপত্র ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, "আমরা তো মিডিয়া মারফত জানতে পারলাম পুরো বিষয়টা। কোনও আলোচনা হয়নি। আমাদের মতামত জানতে চাওয়া হয়নি। কীভাবে পরিস্থিতি সামলানো যায় সেই নিয়ে আমাদের পরামর্শও চায়নি কেউ।" অর্থাৎ মুস্তাফিজুরকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে বোর্ডের বৈঠক বা আলোচনা হয়নি।
সূত্রের খবর, বোর্ডের একেবারে শীর্ষে থাকা কর্তারাই মুস্তাফিজুর ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যরা বিষয়টি নিয়ে পুরোপুরি অন্ধকারে ছিলেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, মুস্তাফিজুরের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে কি একপাক্ষিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড? বিসিসিআইয়ের উপর অন্য কোনও পক্ষের চাপেই কি তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? উত্তর অধরাই। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসবে না, সেটা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে তারা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোনও কথা বলবেন না, জানিয়ে দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।
