ইংল্যান্ড (প্রথম ইনিংস): ৩৮৪ (রুট ১৬০, ব্রুক ৮৪, স্মিথ ৪৬; নেসার ৪/৬০, বোলান্ড ২/৮৫)
অস্ট্রেলিয়া (প্রথম ইনিংস): ১৬৬/২ (হেড ৯১*, লাবুশানে ৪৮, ওয়েদারল্ড ২১; স্টোকস ২/৩০)।
অস্ট্রেলিয়া ২১৮ রানে পিছিয়ে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাথমিক ধাক্কা সামলে জো রুট এবং হ্যারি ব্রুকের সৌজন্যে অ্যাশেজের সিডনি টেস্টে ম্যাচে ফিরে এসেছিল ইংল্যান্ড। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ২১১। নজির গড়ে রুট সেঞ্চুরি করলেও বাকি ব্যাটাররা ডাহা ফেল। সেই কারণে সুযোগ পেয়েও বড় রান তুলতে ব্যর্থ তারা। ৩৮৪ রানে গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে অজিরা ২ উইকেটে ১৬৬।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ব্রুকের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তাঁকে ৮৪ রানে সাজঘরে ফেরান স্কট বোলান্ড। ফলে রুট-ব্রুকের ১৬৯ রানের জুটি ভাঙে। তাঁর ঠিক পরেই স্টার্ক শূন্য রানে ফেরান ইংরেজ অধিনায়ক বেন স্টোকসকে। যদিও একা কুম্ভ হয়ে ইংল্যান্ডকে পথ দেখিয়ে যাচ্ছিলেন রুট (Joe Root)। তাঁকে সহায়তা করার মতো উইকেটের অন্য প্রান্তে তেমন কেউ ছিলেন না। প্রথম দিনের শেষে ৭২ রানে অপরাজিত রুট থামলেন ১৬০ রানে।
জেমি স্মিথকে নিয়ে ইংল্যান্ডকে ৩০০-র গণ্ডি পার করান রুট। ১৪৬ বলে ৪১তম সেঞ্চুরি পূরণ করেন। অর্থাৎ শচীনের থেকে এখনও ১০ ধাপ দূরে তিনি। লাল বলের ক্রিকেটে লিটল মাস্টারের সেঞ্চুরি সংখ্যা ৫১। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির নিরিখে রুট এখন চারে। অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টে তিনি ছুঁয়েছেন প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে। তাঁরও সেঞ্চুরি সংখ্যা ৪১। জ্যাক কালিস রয়েছেন তিনে। ৪৫টি টেস্ট সেঞ্চুরি রয়েছে প্রাক্তন প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের। চূড়ায় রয়েছেন শচীন। একই সঙ্গে টেস্টে ১৭ বার দেড়শো পেরলেন তিনি। দেড়শোর বেশি রান করার নিরিখে তিনি এখন চতুর্থ স্থানে। তাঁর আগে রয়েছেন শচীন তেণ্ডুলকর (২০), ব্রায়ান লারা ও কুমার সঙ্গকারা (১৯) এবং ডন ব্র্যাডম্যান (১৮)। তবে ৪৬ রানে স্মিথ ফেরার পর আর কোনও ব্যাটারই রুটের সঙ্গ দিতে পারেননি।
৫ উইকেটে ৩২৩ থেকে ইংল্যান্ড গুটিয়ে যায় ৩৮৪ রানে। মাইকেল নেসের নেন ৪ উইকেট। মিচেল স্টার্ক এবং স্কট বোলান্ডের শিকার ২টি করে উইকেট। ক্যামেরন গ্রিন ও মার্নাস ভাগ করে নেন ১টি করে উইকেট। জবাবে টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলে ট্রাভিস হেড দ্বিতীয় দিনের শেষে তিনি অপরাজিত ৮৭ বলে ৯১। তাঁর ইনিংসটি ১৫টি বাউন্ডারি দিয়ে সাজানো। অপরাজিত রয়েছেন নৈশপ্রহরী নেসের (১)। এর আগে অবশ্য সাজঘরে ফিরেছেন জেক ওয়েদারল্ড (২১) এবং লাবুশানে (৪৮)। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে অবশ্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন স্টোকস-লাবুশানে। যদিও আম্পায়াররা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ২ উইকেট নিয়েছেন স্টোকস। দ্বিতীয় দিনের শেষে এখনও ২১৮ রানে এগিয়ে ইংল্যান্ড।
