টি-২০ বিশ্বকাপ মধ্যগগণে। টানটান ম্যাচ। ক্রিকেট ভক্তরা বেশ উপভোগ করছেন। কিন্তু মেগা টুর্নামেন্ট যতই এগোচ্ছে, কেকেআর ভক্তদের কপালে চিন্তার ভাঁজ তত বাড়ছে। কারণ নাইটদের পেস ব্যাটারি দুর্বল থেকে দুর্বলতর হচ্ছে। একদিকে চোট আঘাতের সমস্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, অন্যদিকে দ্বিতীয় সারির টুর্নামেন্টে নেমে ঝুড়ি ঝুড়ি রান দিচ্ছেন পেসাররা। আইপিএলের আগে পেসারদের নিয়ে মহাসমস্যায় পড়তে চলে কেকেআর।
ইতিমধ্যেই চোটের জন্য বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। আইপিএলের শুরুতেও তিনি খেলতে পারবেন না। চোটগ্রস্তদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন মাথিশা পাথিরানাও। রাজনৈতিক ডামাডোলের কারণে আসন্ন আইপিএলে খেলবেন না মুস্তাফিজুর রহমান। গত আইপিএলে কেকেআরের সবচেয়ে চিন্তার জায়গা ছিল পেস বোলিং বিভাগ। তাই এবছর নিলামের সময় পেস বিভাগ ঢেলে সাজানো হয়েছিল। কিন্তু কেকেআরের চিন্তা কমছে না তাতেও।
আসন্ন আইপিএলে নাইটদের পেস বিভাগ বলতে টিমটিম করে জ্বলছেন বৈভব অরোরা এবং উমরান মালিক। সেই উমরানের পারফরম্যান্স দেখে কেকেআরের কপালে চিন্তার ভাঁজ। বুধবার অফিস টুর্নামেন্ট খেলতে নেমেছিলেন কাশ্মীরি পেসার। ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে ১৯৩ রান ডিফেন্ড করছিল উমরানের দল টাটা স্পোর্টস ক্লাব। দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসে ২৩ রান দেন উমরান। ওই ওভারেই তিনটে ছক্কা এবং একটা বাউন্ডারি মারেন বিপক্ষ ব্যাটার।
পাওয়ার প্লে'তে উমরানকে আর বল দিতে সাহস পাননি অধিনায়ক। ১৩ তম ওভারে আবারও বল করতে আসেন উমরান। সেই ওভারে ৩৬ রান দেন তিনি। দু'টি নো বল, একটি ওয়াইড এবং একের পর এক বাউন্ডারির সৌজন্যে ৩৬ রান তুলে ফেলে বিপক্ষ দল। ম্যাচে আর বল করেননি উমরান। একটাও উইকেট পাননি তিনি। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সপ্তাহতিনেকের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে আইপিএল। তার আগে পেসারদের এহেন জঘন্য ফর্ম দেখে কেকেআর ভক্তদের উদ্বেগ বাড়ছে। শেষ পর্যন্ত হর্ষিত-পাথিরানা আইপিএলে খেলতে পারবেন কিনা, জানা নেই। তাঁরা ফিট হলেও পুরোদমে কার্যকরী হয়ে উঠতে পারবেন কিনা, সেটা নিয়েও সংশয় রয়েছে। পরিস্থিতি যা, কার্যত পেসার ছাড়াই আইপিএলে নামতে হতে পারে নাইটদের।
