সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে আসবে না বাংলাদেশ। বিসিবি'র তরফ থেকে ইতিমধ্যেই সেটা আইসিসি'কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুস্তাফিজুর রহমানকে কেকেআর থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর বিতর্ক তুঙ্গে। ভারতে আসতে নাকি নিরাপত্তার সমস্যায় ভুগছে বাংলাদেশ বোর্ড। এই পরিস্থিতিতে কি সত্যিই ভারত থেকে ম্যাচ সরিয়ে দেবে আইসিসি?
ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ঘটনাচক্রে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পড়েছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। অর্থাৎ কেকেআরের ঘরের মাঠে। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে রাজি নয় বাংলাদেশ বোর্ড। ইউনুস সরকারের চাপে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড। রবিবার দুপুরে ১৭ জন বোর্ড পরিচালককে নিয়ে বিসিবি’র সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাদের ম্যাচ অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার আর্জি জানিয়ে আইসিসি’কে চিঠিও দিয়েছে বিসিবি। এই সংক্রান্ত তারা একটি বিজ্ঞপ্তিও দেয়। সেখানে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শ’ মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
সেই নিয়ে আইসিসি এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। তবে সূত্র মারফৎ খবর, আইসিসি বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত বিবেচনা করে দেখতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে যৌথ আয়োজক শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে যতক্ষণ না আইসিসি'র তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হচ্ছে, ততক্ষণ এই নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। বর্তমান আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পুত্র। ফলে আইসিসি'র সিদ্ধান্তের দিকেই আপাতত নজর। উল্লেখ্য, পাকিস্তানও তাদের ম্যাচ শ্রীলঙ্কাতেই খেলবে।
তবে বিসিসিআইয়ের এক সূত্র আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশের ওই অনুরোধ রাখা সম্ভব নয়। বোর্ডের এক সূত্র বলছে, “কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনিচ্ছায় বিশ্বকাপের সূচি বদল সম্ভব নয়। আর মাত্র এক মাস পর বিশ্বকাপ। এর মধ্যে বাংলাদেশের এতগুলি ম্যাচ সরানো পদ্ধতিগতভাবে অসম্ভব। তাছাড়া বিপক্ষ দলগুলির কথাও ভাবতে হবে। তাদের বিমান ভাড়া, হোটেল সব বুক হয়ে গিয়েছে।” আরও একটা পদ্ধতিগত সমস্যার কথা বলছে ভারতীয় বোর্ড। বিসিসিআই সূত্র বলছে, প্রতিদিনই তিনটি করে ম্যাচ হওয়ার কথা। দু’টি ভারতে একটি শ্রীলঙ্কায়। এবার নতুন করে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরালে সম্প্রচারে একটা বড় সমস্যা হবে।
