বিশ্বকাপ শেষ। ফাইনালের ঠিক তিন দিন পর আইসিসি প্রকাশ করল টি-টোয়েন্টি ক্রমতালিকা। শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অভিষেক শর্মা। যদিও বিশ্বকাপে তাঁর পারফরম্যান্স প্রত্যাশামতো ছিল না। দ্বিতীয় স্থানে থাকা তারকা ব্যাটারের থেকে তাঁর রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান কমে গিয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের গ্র্যান্ড শো-এর পরই র্যাঙ্কিংয়ে বিরাট লাফ সঞ্জু স্যামসনের।
শীর্ষে থাকা অভিষেকের রেটিং পয়েন্ট ৮৭৪ থেকে বেড়ে ৮৭৫ হয়েছে। বলাই বাহুল্য যে, বিশ্বকাপ ফাইনালে ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরির সৌজন্যে এক পয়েন্ট বেড়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বকাপজুড়ে ভালো খেলার ফল পেয়েছেন ঈশান কিষান। আগের তালিকায় চতুর্থ স্থানে থাকা বাঁহাতি ব্যাটার দুই ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। ৮৭১ রেটিং নিয়ে তিনি অভিষেকের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছেন। পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান এক ধাপ নেমে তৃতীয় স্থানে। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৮৪৮। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট এবং শ্রীলঙ্কার পাথুম নিশঙ্কা। তালিকায় সাতে তিলক বর্মা (৭৪২), নয়ে সূর্যকুমার যাদব (৭২২)।
ইডেনের গ্র্যান্ড শো-এর পরই র্যাঙ্কিংয়ে বিরাট লাফ দিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। রেটিং পয়েন্ট ৫৪৯ নিয়ে ৬৫ থেকে এক লাফে উঠে এসেছিলেন ৪০ নম্বরে। এবার আরও ১৮ ধাপ এগিয়ে ২২ নম্বরে পৌঁছে গিয়েছেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। এবারের বিশ্বকাপে সঞ্জুর ফর্ম ছিল অবিশ্বাস্য। চারটি ম্যাচে সুযোগ না পেয়েও তিনি প্রতিযোগিতা শেষ করেছেন ৩২১ রানে। শেষ তিন ইনিংসে অপরাজিত ৯৭, ৮৯ ও ৮৯ রানের আতশবাজিতে ধাঁধিয়ে দিয়েছেন অনুরাগীদের চোখ। তারই পুরস্কার পেলেন তিনি।
অন্যদিকে, বোলারদের মধ্যে শীর্ষস্থান হারিয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী। বিশ্বকাপে বেশ ভুগিয়েছিল তাঁর ফর্ম। জশপ্রীত বুমরাহর সঙ্গে যুগ্মভাবে ১৪ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হলেও প্রবল মার খেয়েছেন। দিয়েছেন ৩১ ওভারে ২৮৭ রান। এর মধ্যে সেমিফাইনালে ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৬৪ রান। ফাইনালে ১ উইকেট পেলেও ৩ ওভারে দিয়েছেন ৩৯ রান দেন। এখন তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৭৪০। শীর্ষে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের তারকা স্পিনার রশিদ খান। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৭৫৩।
তৃতীয় স্থানে রয়েছেন পাকিস্তানের আবরার আহমেদ। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বোশ। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে টিম ইন্ডিয়ার তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরাহ এক ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠ স্থানে। বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় ক্রিকেটারদের এই উত্থান নতুন মরশুমে দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে ক্রিকেট মহল।
