ইতিহাস গড়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। প্রথম দল হিসাবে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়, প্রথম দল হিসাবে টানা দু'বার বিশ্বকাপ জয়, একমাত্র দল হিসাবে তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন - রবিবারের আহমেদাবাদে রেকর্ডের হ্যাটট্রিক গড়েছে টিম ইন্ডিয়া। যার পুরস্কার হিসাবে বিসিসিআইয়ের তরফে ১৩১ কোটি টাকা দেওয়া হবে সূর্যকুমার যাদবদের। তবে এতে অবশ্য খুশি নন প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিং। ভারতীয় বোর্ডের কাছে আরও বেশি প্রত্যাশা করেছিলেন তিনি।
বিসিসিআই এক বিবৃতিতে জানায়, বিশ্বকাপে অসাধারণ সাফল্যের জন্য খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও নির্বাচকদের এই বিশেষ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ ও নির্বাচকদের আবারও অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। ভবিষ্যতেও তাদের সাফল্য কামনা করি।”
তবে পুরস্কারমূল্য নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেন ভাজ্জি। তাঁর মতে, এত বড় সাফল্যের পর অর্থমূল্য আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে 'মিস্টার টারবনেটর' বলেন, “আমি আরও বেশি কিছু আশা করেছিলাম। এত বড় কৃতিত্বের পর পুরস্কারটাও তো আরও বড় হওয়া উচিত। তবে বিশ্বকাপে দলের দাপুটে পারফরম্যান্সের জন্য সবাইকে অভিনন্দন।”
২০২৪ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। সেবার ভারতীয় দলকে দেওয়া হয়েছিল ১২৫ কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার। সেবার ক্রিকেটার, কোচ, সাপোর্ট স্টাফ মিলিয়ে ৪২ জন সদস্য ছিলেন। মূল স্কোয়াডের ১৫ জন সদস্য এবং হেডকোচের জন্য ছিল ৫ কোটি টাকা। ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর, ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ, বোলিং কোচ পরশ মামব্রেরা ২.৫ কোটি টাকা পেয়েছিলেন। ২ কোটি করে পেয়েছিলেন তিনজন ফিজিওথেরাপিস্ট, তিনজন থ্রোডাউন বিশেষজ্ঞ, দু'জন ম্যাসিওর এবং কন্ডিশনিং কোচেরা। অজিত আগরকর-সহ নির্বাচকরাও পেয়েছিলেন ১ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের পুরস্কারের অঙ্ক ৬ কোটি টাকা বেশি।
এর পাশাপাশি আইসিসি'র তরফ থেকেও মোটা অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। চ্যাম্পিয়ন হিসাবে ভারত পেয়েছে ২৩.৪ লক্ষ মার্কিন ডলার (প্রায় ২১.৫ কোটি টাকা)। অন্যদিকে রানার্স-আপ নিউজিল্যান্ড পেয়েছে ১১.৭ লক্ষ মার্কিন ডলার (প্রায় ১০.৭৫ কোটি টাকা)।
