পাকিস্তান কি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করবে? বাস্তব সম্ভাবনা কম। তবে পাক বোর্ড তর্জনগর্জন জারি রেখেছে। কিন্তু আইসিসি'র চাপের কাছে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান মাথানত করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপ 'বয়কট'ই করে, তাহলে তৈরি দু'টি দল। ক্রিকেটবিশ্বে লিলিপুট হলেও আইসল্যান্ড ও উগান্ডা কিন্তু সোশাল মিডিয়ায় দিব্যি পাকিস্তানকে নিয়ে হাসি-মশকরা করে চলেছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অন্তহীন নাটক চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের বদলে সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিচ্ছিল। যদিও পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভিকে নিয়ে সেদেশেই সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। এই সুযোগ ছাড়তে নারাজ আইসল্যান্ড-উগান্ডাও।
তারা লিখেছে, 'প্রিয় আইসিসি, পাকিস্তান সরে গেলেও আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারব না। এত কম সময়ে দল গোছাতে পারব না। আমরা স্কটল্যান্ডের মতো নই যে, স্পনসর ছাড়াই চলে যাব। আমাদের ক্রিকেটাররা কাজকর্ম ছেড়ে অর্ধেক দুনিয়া উড়ে গরমের মধ্যে খেলতে যেতে পারবে না। আমাদের অধিনায়ক পেশাদার কেক প্রস্তুতকারক। তাঁকে তো ওভেন সামলাতে হবে। আমাদের আরেক প্লেয়ারকে জাহাজ চালাতে হয়। এটাই অপেশাদার খেলোয়াড়দের বাস্তব সমস্যা। আমরা যেতে পারব না বলে হয়তো উগান্ডার কপাল ফিরবে।' এমনকী উগান্ডার হলুদ জার্সি নিয়েও কটাক্ষ করা হয়।
এর জবাবে আবার উগান্ডা ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে লেখা হয়, 'যদি জায়গা ফাঁকা হয়, তাহলে উগান্ডা ব্যাগ গুছিয়ে তৈরি। আমাদের পাসপোর্ট উষ্ণ আছে (আইস নয়)। আমাদের কেউ কেক বানানো ছেড়ে যাবে না বা জাহাজ ঘুরিয়ে ফিরবে না। গরম হোক বা চাপ, আমরা জার্সি পরে তৈরি।'
আবার নিজেদের পোস্ট নিয়ে আইসল্যান্ড ফের আইসিসি'কে বার্তা পাঠিয়েছে। তারা লিখেছে, 'এখনও তো আইসিসি'র থেকে কোনও খবর পেলাম না। আমরা তো বোধহয় ভুল করে আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল কোর্টকে ট্যাগ করে দিয়েছি। কিন্তু সেটা তো নয়। ওরা বোধহয় পাফিন পাখিকে দিয়ে চিঠি পাঠিয়ে উত্তর দেয়।'
