shono
Advertisement
Ishan Kishan

ফাইনালের আগে দুর্ঘটনায় দিদি-জামাইবাবুর মৃত্যু, বিশ্বজয়ী ঈশান ট্রফি উৎসর্গ করলেন তাঁদেরই

যন্ত্রণা বুকে নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন ইশান কিষান। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে ৫৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে যান। আর নারীদিবসে বিশ্বকাপ জিতে প্রয়াত দিদিকেই ট্রফি উৎসর্গ করলেন ঈশান।
Published By: Arpan DasPosted: 11:57 AM Mar 09, 2026Updated: 02:23 PM Mar 09, 2026

বিশ্বকাপ ফাইনালের একদিন আগে পরিবারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রয়াত হন দিদি-জামাইবাবু। বাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়েছিল, 'অনর্থ হয়ে গিয়েছে।' সেই যন্ত্রণা বুকে নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন ইশান কিষান (Ishan Kishan)। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে ৫৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে যান। আর নারীদিবসে বিশ্বকাপ জিতে প্রয়াত দিদিকেই ট্রফি উৎসর্গ করলেন ঈশান।

Advertisement

ফাইনালে ঈশান ২৫ বলে ৫৪ রান করে যান। একের পর এক বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাচ্ছিলেন। পরে দু'টো অসাধারণ ক্যাচও ধরেন। কে বলবে, মনের মধ্যে একরাশ যন্ত্রণা চেপে রেখে মাঠে নেমেছিলেন। ফাইনালের আগে তাঁর বাবা প্রণব পাণ্ডে ফোন করে জানান, গাড়ি দুর্ঘটনায় তুতো দিদি ও জামাইবাবুর মৃত্যু ঘটেছে। তিনি বলেছিলেন, "অনর্থ হয়ে গিয়েছে। আমাদের পরিবার খুব বিপদে।"

ঈশানের উপায় ছিল না বাড়ি ফিরে আসা। দেশের সম্মানরক্ষার দায়িত্ব যে তাঁর কাঁধে। কিন্তু দুঃসংবাদ পেয়ে খুব ভেঙে পড়েছিলেন। নেটে বেশিক্ষণ ব্যাটও করতে পারেননি। তখন সতীর্থরা এগিয়ে আসেন তাঁকে সান্ত্বনা দিতে। তখনই যেন ঠিক করেছিলেন, বিশ্বকাপ জিতে দিদিকে ট্রফি উৎসর্গ করবেন। তাই হাফসেঞ্চুরি করার পর আকাশের দিকে ব্যাট তুলে দিদির কথা মনে করেন।

ম্যাচের পর তিনি বলে যান, "ম্যাচের আগে আমি জানতে পারি, গাড়ি দুর্ঘটনায় দিদি মারা গিয়েছে। আমি ওর জন্যই ভালো খেলেছি। হার্দিক ভাই আমাকে বলে দলের কথা ভাবতে। আজ নারী দিবস। সেদিনই বিশ্বকাপ জিতে তাঁকে ট্রফি উৎসর্গ করছি।" আসলে বিশ্বকাপ সফরটাই ছিল ঈশানের ফিরে আসার লড়াই। যা নিয়ে তিনি বলেন, "আমি বেশি ভাবা বন্ধ করে দিয়েছি। যা নিজের হাতে আছে, শুধু সেটুকু নিয়েই ভাবি। যেরকম বিরাট ভাই (কোহলি) করেন।"

ম্যাচের আগে আমি জানতে পারি, গাড়ি দুর্ঘটনায় দিদি মারা গিয়েছে। আমি ওর জন্যই ভালো খেলেছি। হার্দিক ভাই আমাকে বলে দলের কথা ভাবতে। আজ নারী দিবস। সেদিনই বিশ্বকাপ জিতে তাঁকে ট্রফি উৎসর্গ করছি।

আরও একটা বিষয়ে মুখ খুলেছেন ঈশান। ডবল সেঞ্চুরি করেও দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। গায়ে লেগেছিল 'অবাধ্য' তকমা। তারপর ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করে কামব্যাক। যখন বিশ্বকাপ দলে নাম আসে, তখন সূর্যকুমার যাদব ফোন করেন। কী কথা হয়েছিল? ঈশান বলেন, "সূর্য ভাই ফোন করে বলে, 'বিশ্বকাপ জেতাবি?' আমি বলি, 'আমাকে ভরসা করো তো?' তখন সূর্য বলে 'হ্যাঁ করি। চলে আয়'।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement