কুলদীপ যাদব ইনস্টাগ্রামে একটা স্টোরি দিয়েছিলেন। তিনি আর যুজবেন্দ্র চাহাল (Yuzvendra Chahal)। বিশ্ব ক্রিকেট ক্রিকেট যে জুটিকে চেনে ‘কুলচা’ নামে। একটা সময় সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতীয় স্পিন অ্যাটাকের প্রধান মুখ ছিল এই জুটি। কুলদীপের সঙ্গে বরাবরই সম্পর্ক খুব ভালো চাহালের। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় টিমে আর সুযোগ পান না তিনি। দু’বছর আগে রোহিত শর্মারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে যে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন, সেই টিমের সদস্য ছিলেন চাহাল। তবে খুব একটা সুযোগ পাননি। বর্তমানে ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। ইডেনে কুলদীপের সঙ্গে দেখা হতেই আড্ডা দিলেন বেশ কিছুক্ষণ। হয়তো কোথাও গিয়ে একটু আবেগপ্রবণও হয়ে পড়ছিলেন নিজে। তবে একটা ব্যাপার দেখে চাহাল বেশ খুশি। সেটা হল, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্পিনারদের সাফল্য। তাছাড়াও বরুণ চক্রবর্তীকে (Varun Chakravarty) নিয়ে চিন্তিত নন তিনি।
বর্তমানে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এমন পর্যায় গিয়েছে, যেখানে বোলারদের অবস্থা আরও করুণ হচ্ছে। দু’শো-আড়াইশো রান হচ্ছে। সেটা আবার অনেক সময় বিপক্ষ টিম তাড়াও করে দিচ্ছে। সোজা কথায় পুরোটাই ব্যাটারদের খেলা। বোলারদের জন্য কিছুই থাকছে না। কিন্তু এবার স্পিনাররা অনেক বেশি দাপট দেখাচ্ছেন। যা নিয়ে চাহাল বললেন, “বিশ্বকাপে স্পিনাররা অনেক বেশি উইকেট পাচ্ছে। অনেক ম্যাচে ওরা ডমিনেট করছে। সেটা দেখে খুব ভালো লাগছে। একজন স্পিনার হিসেবে সেটা আমার কাছে গর্বেরও।”
চাহালের কথায়, “বিশ্বকাপে স্পিনাররা অনেক বেশি উইকেট পাচ্ছে। অনেক ম্যাচে ওরা ডমিনেট করছে। সেটা দেখে খুব ভালো লাগছে। একজন স্পিনার হিসেবে সেটা আমার কাছে গর্বেরও।”
এই ভারতীয় টিমের সবচেয়ে বড় স্পিন অস্ত্রের নাম হল বরুণ চক্রবর্তী। ইডেনের ম্যাচ ধরে বরুণের শেষ তিনটে ম্যাচ একেবারেই ভালো যায়নি। অনেক বেশি রান দিয়েছেন। যারপর থেকে অনেকেই বলাবলি শুরু করে দিয়েছেন, বিপক্ষ টিমগুলো বরুণের রহস্য উদ্ধার করে ফেলেছে। ইডেনেও বরুণ চার ওভারে প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি রান দিয়েছেন। চাহাল মনে করেন, এক-আধটা ম্যাচ যে কোনও ক্রিকেটারের খারাপ যেতেই পারে। তাতে চিন্তার কিছু নেই।
বলছিলেন, “সবার সব দিন ভালো যাবে, সেটা হতে পারে না। যে কোনও ক্রিকেটারের এক-আধ দিন খারাপ যেতেই পারে। একটা দিন ভালো হয়ে গেলেই আবার সব কিছু আগের মতো হয়ে যাবে। বরুণকে ঠিক আবার বিপজ্জনক দেখাবে।” চাহালের একসঙ্গে সহমত পোষণ করলেন আরও একজন। অভিষেক নায়ার। আইপিএলে কেকেআরের কোচ হয়েছেন। নায়ারের কোচিংয়েই খেলবেন বরুণ। কেকেআরের কোচও মনে করছেন, বরুণের ফর্ম নিয়ে চিন্তার কারণ নেই।
