সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে আসবে না বাংলাদেশ। বিসিবি’র তরফ থেকে ইতিমধ্যেই সেটা আইসিসি’কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুস্তাফিজুর রহমানকে কেকেআর থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর বিতর্ক তুঙ্গে। ভারতে আসতে নাকি নিরাপত্তার সমস্যায় ভুগছে বাংলাদেশ বোর্ড। এই পরিস্থিতিতে কি আইসিসি বাধ্য করবে বাংলাদেশকে ভারতে আসতে? যদি তারপরও মুস্তাফিজুর রহমানরা এদেশে না আসেন, তাহলে কী শাস্তি হতে পারে তাঁদের? জয় শাহর আইসিসি কি নির্বাসিত করবে বাংলাদেশকে?
ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ঘটনাচক্রে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পড়েছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। অর্থাৎ কেকেআরের ঘরের মাঠে। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে রাজি নয় বাংলাদেশ বোর্ড। ইউনুস সরকারের চাপে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে একাধিক সম্ভাবনা রয়েছে। যার মধ্যে নির্বাসনের বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
১। সূত্রের খবর, আইসিসি বাংলাদেশের আবেদন বিবেচনা করে দেখতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে যৌথ আয়োজক শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে যতক্ষণ না আইসিসি’র তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হচ্ছে, ততক্ষণ এই নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। বর্তমান আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পুত্র। ফলে আইসিসি’র সিদ্ধান্তের দিকেই আপাতত নজর।
২। বাংলাদেশের দাবি মানল না আইসিসি। অন্যদিকে বিসিবি'ও নিজের সিদ্ধান্তে অটল রইল। গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচের তিনটি কলকাতায় খেলার কথা বাংলাদেশের। এর মধ্যে ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৯ ফেব্রুয়ারি ইটালি, ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড বিরুদ্ধে নামার কথা লিটন দাসদের। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিরুদ্ধে তাদের খেলা। যা হবে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ পয়েন্ট পাবে না। অর্থাৎ তারা ওয়াকওভার দিয়েছে। বাকি দলগুলোকে জয়ী হিসেবে পয়েন্ট দেওয়া হবে। এর আগে ২০০৩-র বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় ওয়াকওভার দিয়েছিল ইংল্যান্ড।
৩। আর একটা সম্ভাবনা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরে গেলে অন্য দলকে নিয়ে নেওয়া হবে। যেমন ২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া খেলতে না যাওয়ায় সেই জায়গায় আয়ারল্যান্ডকে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপে ২০টি দল খেলছে। এর বাইরে স্কটল্যান্ড বা জার্সির মতো দল ছাড়া ক্রিকেট খেলা দেশ সেভাবে নেই। ফলে আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন দেখার।
