রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার: কুয়াশার দাপট বাড়তেই আলু চাষের জমিতে গিয়ে প্রচার অভিযান শুরু করল কৃষি দপ্তর। জেলায় আলু চাষে সামান্য পরিমাণ নাবি ধসার প্রকোপ লক্ষ্য করা গিয়েছে। কিন্তু এখনও আলু চাষে এই রোগ বিপদজনক মাত্রায় পৌঁছায়নি। তবে যেভাবে কুয়াশার দাপট দিন দিন বাড়ছে ও কুয়াশার প্রভাব দিনের অধিকাংশ সময় জুড়ে থাকছে, তাতে উদ্বেগ ছড়িয়েছে কৃষি দপ্তরেও।
ইতিমধ্যেই নাবি ধসা ঠেকাতে কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। আলিপুরদুয়ার জেলার সহ কৃষি অধিকর্তা (শস্য সুরক্ষা) অম্লান ভট্টাচার্য বলেন, "এখনও পর্যন্ত জেলায় ধসা রোগে আলু চাষে ক্ষয়ক্ষতি তেমন নেই। কুয়াশা হচ্ছে। আবার সকালের দিকটাতে কিছুক্ষণ আবহাওয়া পরিষ্কারও থাকছে। আমরা ধসা রোগ প্রতিরোধে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। রাজ্য থেকে পাঠানো লিফলেট প্রচার করা হচ্ছে। ছত্রাক নাশকের প্রয়োগ সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করা হচ্ছে। কৃষকরাও সচেতন হয়েছে।"
জানা গিয়েছে, জেলায় ২০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে এবার আলুর চাষ হয়েছে। বিঘা প্রতি সাড়ে চার থেকে পাঁচ মেট্রিক টন আলুর উৎপাদন হয়। কুয়াশার দাপট বাড়ায় এই বিপুল পরিমাণ আলুর ক্ষেতেও উদ্বেগের ছায়া পড়েছে। কিছু কিছু আলু চাষে নাবি ধসার প্রকোপ শুরু হয়েছে। তবে ধসা রোগ এখনও আলু গাছের কান্ডে পৌঁছাতে পারেনি বলে জানাচ্ছেন কৃষকরা। আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের আলু চাষি নারায়ন রায় বলেন, "কুয়াশায় আমরা ভয় পাচ্ছি। কিছু কিছু গাছে পাতার নিচে ছোপছোপ দাগ হচ্ছে। কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা এসে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিচ্ছি।"
