সামনে কঠিন ম্যাচ। সোমবার যুবভারতীতে পাঞ্জাব এফসি'র মুখোমুখি হবে ইস্টবেঙ্গল। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্ফোরণ ঘটালেন লাল-হলুদ কোচ। নাম ধরে ইস্টবেঙ্গল প্রাক্তনী অ্যালভিটো ডি'কুনহা, রহিম নবি, সন্দীপ নন্দীদের 'দালাল', 'ক্যানসার' বলে তোপ দাগেন। তারপরই তাঁর পালটা দিলেন নবি, অ্যালভিটোরা। তাঁদের সাফ বক্তব্য, অস্কার আগে ট্রফি জেতাক, তারপর মুখ খুলুক।
সোমবার মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অস্কার বলেন, "কেরল ম্যাচের পর আমাকে গো ব্যাক শুনতে হয়েছিল। কিন্তু একটা কথা আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই। কয়েকজনের নাম বলে দিচ্ছি। রহিম আলি (নবি), সন্দীপ নন্দী, আলভিটো ডি’কুনহা। এরা ক্লাবের দালাল। ক্লাবের ভালো চায় না, ক্ষতিকারক। সব কিছুতে খারাপ দেখে। এর ক্লাবের জন্য ক্যানসারের মতো। হয়তো এদের জন্যই ইস্টবেঙ্গল এতো দিন সাফল্য পায়নি।"
এঁদের মধ্যে সন্দীপ নন্দী ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপিং কোচ ছিলেন। তবে অস্কারের সঙ্গে ঝামেলায় ক্লাব ছাড়েন। অন্যদিকে অ্যালভিটো ও রহিম নবি দীর্ঘদিন ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে খেলেছেন, ট্রফি জিতেছেন। দেশের হয়ে সফল। অস্কারের এহেন আক্রমণে ছেড়ে কথা বলেননি লাল-হলুদ প্রাক্তনীরাও। 'সংবাদ প্রতিদিন'কে নবি বলেন, "ও যদি আমাদের আক্রমণ করে ইস্টবেঙ্গলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারে, ক্ষমা করে দেব। এখন পাঞ্জাবকে নিয়ে ভাবুক। তার বদলে আমাদের নিয়ে ভাবছে। আগে ট্রফি দিক, তারপর কথা বলুক।"
অন্যদিকে অ্যালভিটো বলেন, "সাংবাদিক সম্মেলনে কোচেরা ম্যাচ নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু ইনি আমাদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। হয়তো উনি কুসংস্কারী। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তোপ দাগে। আমাদের সমালোচনায় পাত্তা দিচ্ছি না। আমরা ইস্টবেঙ্গলের জন্য ঘাম রক্ত দিয়েছি। আমি চাই, ইস্টবেঙ্গল ট্রফি জিতুক। সেটা করতে পারলেই হবে।" আর সন্দীপ নন্দী, "উনি বিকৃত মস্তিষ্ক। নিজের দলে ফোকাস না দিয়ে আমাদের নিয়ে কথা বলছেন। এমনভাবে কথা বলছেন, যেন তিনটি ট্রফি দিয়ে দিয়েছেন। সবসময়ে প্রচারের আলো চান। উনি আমাদের ক্যানসার বলেছেন। আমি তো বলব, উনি তাহলে ক্যানসার বিশেষজ্ঞ। তাহলে বিশ্ব ক্যানসারমুক্ত হবে।"
