চূড়ান্ত হয়ে গেল বেঙ্গল সুপার লিগের দুই ফাইনালিস্ট। শুক্রবার ছিল দু'টি সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগ। সেখানে ইস্টবেঙ্গল মাঠে ম্যাচ ড্র হলেও প্রথম ম্যাচে এগিয়ে থাকার সুবাদে মেহতাব হোসেনের সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসি পিছনে ফেলে ফাইনালে গেল জোসে ব্যারেটোর হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়ার্স। অন্যদিকে কল্যাণী স্টেডিয়ামে নর্থ ২৪ পরগনাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র পেল শাহিদ রমনের জেএইচআর রয়্যাল সিটি এফসি।
বিএসএলের সেমির প্রথম লেগে হাওড়া-হুগলি ৪-৩ গোলে জিতেছিল। ফাইনালের টিকিট পেতে হলে এদিন জিততেই হত মেহতাবের দলকে। কিন্তু সেই কাজটি করতে পারেনি সুন্দরবন। ম্যাচ শেষ হয় গোলশূন্য ভাবে। প্রথম বিএসএলের ফাইনালে জায়গা করে নিল ব্যারেটোর দল। আকর্ষণীয় বিষয়, এই প্রথমবার কোচ হিসেবে ইস্টবেঙ্গল মাঠে পা রাখলেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানের কিংবদন্তি ব্যারেটোর। আর প্রথমবারেই সাফল্য। এমনকী কয়েকজন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকও ব্যারেটোর নামে জয়ধ্বনি দেন। ম্যাচের পর 'সবুজ তোতা' বলে যান, "আমি খুব খুশি। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ছাড়া আমরা এই জায়গায় থাকতাম না। এই অভ্যর্থনা পেয়ে কৃতজ্ঞ।"
জোসে ব্যারেটো। ছবি: সংগৃহীত
অন্য সেমিফাইনালে কল্যাণীতে মুখোমুখি হয়েছিল রয়্যাল সিটি ও নর্থ ২৪ পরগনা। গ্রুপ পর্বে লিগ শীর্ষে ছিল রয়্যাল সিটি। কিন্তু প্রথম পর্বে কিছুটা অঘটনেই ১-০ গোলে হেরে যায় রয়্যাল। কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে শাহিদ রমনের ছেলেদের দাপট। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় রয়্যাল। ২৪ মিনিটে গোল করেন সৌরভ। কিন্তু দুই পর্ব মিলিয়ে তখনও ম্যাচ ড্র। শেষ পর্যন্ত নর্থ ২৪ পরগনার যাবতীয় প্রতিরোধ থামে ৮০ মিনিটে। রয়্যালের হয়ে গোল করেন জোয়াও। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জয় নিশ্চিত করেন আমিল।
রবিবার বিকেল চারটেয় কল্যাণী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে রয়্যাল সিটি ও হাওড়া-হুগলি।
