সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেলোয়াড়ি জীবনে মাঝমাঠে তিনি ছিলেন স্তম্ভ। খেলেছেন ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিংয়ে। অধিনায়কত্ব করেছেন। বহু ট্রফি জিতেছেন। তিনি প্রাক্তন ফুটবলার প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পরিবারে শোকের ছায়া। পুত্রহারা হলেন ১৯৮৪ এশিয়ান কাপ খেলা ফুটবলার।
মাত্র ৩১ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রাক্তন ফুটবলারের কনিষ্ঠ পুত্র প্রণজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বছর চারেক আগে মাথায় টিউমার ধরা পড়েছিল তাঁর। দীর্ঘদিন নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর অনেকটাই সুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন প্রণজিৎ। এমনকী অফিসেও যাওয়া শুরু করেছিলেন।
গত বছর চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় চেন্নাইয়ে। কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার লড়াইয়ে আবারও ব্যাঘাত ঘটে। গত কয়েক মাস ধরে আবারও শরীরিক অবস্থা খারাপ হয়। ভুগছিলেন ফুসফুসের সংক্রমণে। বাইপাস সংলগ্ন এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। ৪ জানুয়ারি ছিল তাঁর জন্মদিন। নিয়তির নির্মম পরিহাসে জন্মদিনের সকালেই প্রয়াত হন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকে ডুবে কলকাতা ময়দানও।
ছেলের অকালপ্রয়াণে শোকে পাথর প্রশান্ত। ফুটবলজীবন তাঁর কানায় কানায় পূর্ণ। খেলা থেকে অবসর নিয়েও ময়দানে সমান সক্রিয় তিনি। ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রি অলিম্পিক এবং এশিয়ান গেমসে। ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে অবসর নিয়েছিলেন ১৯৯১-৯২ মরশুমে। যদিও মোহনবাগানের জার্সিতেও সুনামের সঙ্গে খেলেছিলেন। কোচ হিসাবেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পোর্ট ট্রাস্ট, এরিয়ান এফসি এবং সন্তোষ ট্রফিতে বাংলা দলের কোচ ছিলেন প্রশান্ত। ছেলের অকালপ্রয়াণে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছেন তিনি।
