বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর সেদেশে গিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী জার্মান ফুটবলার মেসুট ওজিল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এর্দোগানের পুত্র নেকমেতিন বিলাল। তবে পদ্মাপারের দেশে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন ওজিল।
ঠিক কী হয়েছে? বৃহস্পতিবার কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে তাঁর কনভয়ের একটি গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সুখবর হল, ওজিল একেবারে সরক্ষিত রয়েছেন। তবে গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছয় তুরস্ক প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত বিমান। সেখান থেকে ওজিলরা যান ‘টিকা’র দপ্তরে। এই টিকা হল তুরস্কের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা। তাদের অধীনে বেশ কয়েকটি প্রকল্প রয়েছে বাংলাদেশে। এর পরের দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা রিফিউজি ক্যাম্পে গিয়েছিলেন।
বাংলাদেশে ওজিল। ছবি এক্স।
সেখানে তাঁরা ফুটবলারদের সঙ্গে দেখা করেন। ইফতারিতেও অংশ নেন। সেখান থেকে ফেরার পথে উখিয়া উপজেলার কুটুপালোং এলাকার হাইওয়েতে তাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। জানা গিয়েছে সন্ধে ৬.৪৫ থেকে ৭টার মধ্যে একটি টোটো আচমকা হাইওয়েতে উঠে যায়। যার সঙ্গে ওজিলের কনভয়ে থাকা পুলিশের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। স্বস্তির খবর, বড় কোনও ক্ষতির মুখে পড়েননি ওজিল এবং বিলাল। এরপর স্থানীয় সময় রাত ৮টা ০২ মিনিটের দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় তুরস্কের ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে বহন করা বিশেষ বিমান।
এই ঘটনার পর শাহিপোরা হাইওয়ে থানার ওসি শইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ওজিল এবং বিলালের গাড়িটি আগে ছিল। এর পিছনে থাকা গাড়িটিই দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। ফলে বড়সড় দুরঘটনা এড়ানো গিয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছেন টোটো চালক আগর। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে তদন্ত শুরু করেছে। তবে ভিভিআইপি কনভয় জোনে কীভাবে একটা টোটো ঢুকে পড়ে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে, আগে থেকে কি রাস্তায় ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি?
