চিনি বা মিষ্টি কম খাচ্ছেন, ভাজাভুজিও এড়িয়ে চলছেন, নিয়মিত স্কিনকেয়ার করছেন, তবু হঠাৎ ব্রণর সমস্যা? বিশেষ করে ৩০ বা ৪০-এর কোঠায় এসে। এই সমস্যায় এখন অনেক মহিলাই ভুগছেন। ডার্মাটোলজিস্ট বা ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বাইরে থেকে সব ঠিকঠাক মনে হলেও, ভেতরের কিছু সমস্যাই এর জন্য দায়ী।
কিশোর বয়সে ব্রণ না থাকলেও, যদি হঠাৎ ৩০ বছর বয়সের পর চোয়াল, থুতনি বা গালে বারবার ব্রণ হয়, তাহলে বুঝতে হবে এর পেছনে হরমোনের ভূমিকা রয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
ময়লা নয়, আসল সমস্যা হরমোন
অনেকেই ভাবেন বালিশের কভারে থাকা ময়লা, ফোন বা মেকআপের জন্য ব্রণ হচ্ছে। কিন্তু ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলো সমস্যা বাড়াতে পারে ঠিকই, কিন্তু মূল কারণ নয়। আসল ট্রিগার হল হরমোনের ওঠানামা। তাঁদের কথায়, পিরিয়ড নিয়মিত, রিপোর্ট স্বাভাবিক, পিসিওডি বা পিসিওএস নেই, তবুও ব্রণ হতে পারে। কারণটা লুকিয়ে লাইফস্টাইলে।
কোন অভ্যেসগুলো ব্রণর নেপথ্যে?
রয়েছে কতগুলো লাইফস্টাইল ফ্যাক্টর। যেগুলো হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে ব্রণর সমস্যা বাড়াতে পারে-
- মানসিক চাপ বা স্ট্রেস
- অতিরিক্ত চিন্তা বা ওভারথিংকিং
- ঠিকমতো ঘুম না হওয়া
- হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া
- বেশি পরিমাণে চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার, ভাজাভুজি খাওয়া
চিকিৎসকদের কথায়, চিকিৎসার অনেকটাই লুকিয়ে আছে এই অভ্যেসগুলোর মধ্যে। অর্থাৎ, শুধু ক্রিম বা ওষুধ নয়, জীবনযাত্রার পরিবর্তনই আসল সমাধান।
ছবি: সংগৃহীত
কোরিয়ান স্কিনকেয়ার কি যথেষ্ট?
হাইড্রেশন আর ময়েশ্চারাইজেশন, এই দুটোই ত্বকের যত্নের জন্য ভালো, আর কোরিয়ান স্কিনকেয়ারে সেটাই রয়েছে। তবে সব সমস্যার সমাধান শুধু প্রোডাক্টে হয় না। বিশেষ করে যদি ত্বকে পিগমেন্টেশন, রোদে পোড়া দাগ, মেচেতা বা ব্রণের দাগ থাকে, তাহলে শুধু কোরিয়ান স্কিনকেয়ার যথেষ্ট নয়।
কী করলে উপকার পাবেন?
এ ধরনের সমস্যায় রয়েছে কার্যকর কিছু উপাদান। যেগুলো চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করাই যাই। যেমন-
- গ্লাইকোলিক অ্যাসিড
- কোজিক অ্যাসিড
- স্যালিসিলিক অ্যাসিড
- রেটিনয়েড
ত্বকের সমস্যা শুধু বাইরে নয়, ভেতরের সিগন্যালও। তাই আয়নায় যা দেখছেন, তার বাইরেও একটু নজর দেওয়া দরকার।
